প্রাথমিক তদন্ত করে পুলিশ জানিয়েছে শিশুটিকে গলা কেটে হত্যার পর মা নার্গিস বেগম (৩৫) আত্মহত্যা করেন। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দুপুর ২টা থেকে ৪টার মধ্যে ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুুলিশ।
খিলগাঁও থানার এসআই মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে তারাবাদ আব্দুল হামিদের বাসা যাই। সেখানে রুমের ভেতর থেকে দরজা লক করা ছিল। বাইরে থেকে জানালা দিয়ে দেখা যায়, ফ্যানের সাথে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় মহিলাকে। পরে দরজার লক খুলে দেখা যায় ওই নারী ঝুলছেন, পাশে বিছানার উপর শিশুটির গলাকাটা মরদেহ পরে আছে। পাশেই পরে আছে রক্ত মাখা ছুরি।”
তিনি বলেন, “আইনি প্রক্রিয়া শেষে শিশু ও তার মার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।”
জানা গেছে, নিহতরা গাইবান্ধা পলাশবাড়ী উপজেলার সিএনজি অটোরিকশা চালক সাবু মিয়ার স্ত্রী ও সন্তান। বর্তমানে খিলগাঁও থানার তারাবাগ এলাকায় আব্দুল হামিদের বাসায় ভাড়া থাকতেন।
পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জের ধরে হতাশাগ্রস্ত হয়ে, স্বামীর সঙ্গে অভিমান করে সন্তানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করেন মা। পরে নিজে ওড়না দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে মারা গেছেন।” ঘটনার প্রকৃত কারণ জানার চেষ্টা চলছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।