• দেশজুড়ে
  • রাজশাহীর মোহনপুর থেকে চাঞ্চল্যকর আলমগীর হোসেন হত্যা মামলার প্রধান আসামীকে র‍্যাব-৫ সিপিএসসি ও মোহনপুর থানা পুলিশ যৌথ অভিযানে ৫ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে।

রাজশাহীর মোহনপুর থেকে চাঞ্চল্যকর আলমগীর হোসেন হত্যা মামলার প্রধান আসামীকে র‍্যাব-৫ সিপিএসসি ও মোহনপুর থানা পুলিশ যৌথ অভিযানে ৫ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে।

দেশজুড়ে ১ মিনিট পড়া
রাজশাহীর মোহনপুর থেকে চাঞ্চল্যকর আলমগীর হোসেন হত্যা মামলার প্রধান আসামীকে র‍্যাব-৫ সিপিএসসি ও মোহনপুর থানা পুলিশ যৌথ অভিযানে ৫ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে।

মোঃ আবুল বাশার,  রাজশাহী প্রতিনিধি।

র‌্যাব প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থি’তি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরনের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। সন্ত্রাসী, সঙ্ঘবদ্ধ অপরাধী, মাদক, অস্ত্র, ছিনতাইকারী,সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-০৫ সিপিএসসি হত্যাকান্ডের পরপরই আসামিকে গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাবের চৌকস আভিযানিক দল জানতে পারে, আসামি মোহনপুর থানাধীন বেলগাছি পাঠক ক্লাব এলাকায় অবস্থান করছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ইং-১০/০৪/২৬ তরিখ দুপুর ১৩:৩০ ঘটিকায় র‍্যাব-৫ ও মোহনপুর থানা পুলিশের যৌথ আভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে হত্যাকান্ডে মাত্র ৫ ঘণ্টার মধ্যে ঘাতক ১ নং আসামী মো.মজিবর রহমানকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, অত্র মামলার ভিকটিম একজন ভ্যান চালক। সে প্রতিদিনের ন্যায় ইং-১০/০৪/২৬ তারিখ ভোর বেলা ভ্যান নিয়ে বাহির হয়। ঘটনা তারিখ সকাল ০৮:০০ ঘটিকা সময় গ্রেফতাকৃত আসামী মোঃ মজিবর ও তার সহয়োগিকে নিয়ে তানোর কালিগঞ্জ হাট থেকে মোহনপুর বেলগাছি গ্রামে আসে। ভ্যান থেকে আসামীদের নামতে বলায় আসামীদের সহিত  ভিকটিম আলমগীরের তর্ক বির্তক হয়। তর্ক বির্তকের এক পর্যায়ে গ্রেফতারকৃত আসামী ও তার সহযোগি আসামী ভিকটিম আলমগীরকে নির্মমভাবে ইট ও বাশের লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে। উক্ত ঘটনার পর আসামীরা আত্মগোপনে চলে যায়। উক্ত ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।

গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যব¯’া গ্রহণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়।