কুষ্টিয়ার সদর উপজেলার জিয়ারখি ইউনিয়নের সৌদি প্রবাসী মিজানুর রহমান। থাকেন সৌদিতে সেখানে থাকাকালীন সময়ে সখ্যতা গড়ে উঠে হারুন নামে একজনের সাথে। তার ভাষ্যে হারুন তাকে জানান বিদেশে পাঠানোর জন্য কয়েকজন সাথে যোগাযোগ করতে। এমতাবস্থায় মিজান তার এলাকার চারজনের সাথে যোগাযোগ করে হারুনের মাধ্যমে সৌদিতে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।
অভিযোগ উঠেছে, নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলার ত্রিশ উত্তর পাড়া গ্রামের আজিজ মিয়ার ছেলে মানব পাচারকারী হারুন অর রশিদ সৌদি আরবে বসবাস করা অবস্থায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রায় শতাধিক মানুষের সাথে সৌদির এটিসি কোম্পানিতে নিয়োগের কথা বলে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে,হারুন সৌদি আরবের দাম্মাম শহরে এটিসি কোম্পানিতে চাকুরির কথা বলে লোক প্রতি ৫ থেকে ৬ লক্ষ টাকা করে নিয়ে সৌদি আরবে নিয়ে যায়। সূত্র আরও জানায়, লোড আনলোড( ট্রাভেল) ভিসা দেয় যার মূল্য এক লক্ষ ত্রিশ হাজার টাকা। এই ভিসায় তিন মাসের আকামা করে প্লেন থেকে নামলেই তারা তিন মাস পর অবৈধ হয়ে যায় ফলে তারা আর চাকরি না পেয়ে পড়েন বিপাকে।
ভুক্তভোগী মিজান জানান, চাচাতো ভাই ভাইসহ এলাকার চার জনকে নিয়ে এসেছিল হারুনের মধ্যেমে। হারুন ও তার স্ত্রী প্রতারক হাবিবা আক্তার সোনালী ব্যাংক পুঠিয়া শাখায় এবং সৌদি আরব থেকেই বিভিন্নভাবে প্রায় ১৯ লক্ষ টাকা গ্রহণ করে। কিন্তু ৩ মাসের ভিসা দেওয়ায় তারা করুন অবস্থার মধ্যে আছে তারা।
এ বিষয়ে কথা হয় হারুনের সাথে তিনি জানান, টাকা নিয়েছি। তারা এখনও কাজ পাইনি, তবে পাবে। আপনি মানবপাচারের সাথে যুক্ত কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আপনারা যা ইচ্চে লিখতে পারেন।
এবিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন মাতুব্বর জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।