এই প্রধান ভূমিকম্পের পর দিনভর এবং পরদিন রাজধানীর বাড্ডাসহ আশপাশের এলাকায় ৩ থেকে ৪ মাত্রার একাধিক আফটারশক অনুভূত হয়। বাংলাদেশ ভূমিকম্প গবেষণা কেন্দ্র বলছে, পুরো ২০২৫ বছরজুড়ে ভূমিকম্পের সংখ্যা দীর্ঘমেয়াদী গড়ের তুলনায় অনেক বেশি, যা ভূগর্ভে চাপ জমার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গ্যাস উত্তোলন, বিশেষ করে ফ্র্যাকিং নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। অনেকেই জানতে চাচ্ছেন, গোপনে ফ্র্যাকিং করা হচ্ছে কি না।
কিন্তু গ্লোবাল এনার্জি মনিটর, পেট্রোবাংলার বার্ষিক প্রতিবেদন, আন্তর্জাতিক জার্নাল এবং জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য একেবারে পরিষ্কার। তারা বলছে, বাংলাদেশের গ্যাসক্ষেত্রগুলোতে সাধারণ খনন প্রযুক্তি ব্যবহার করেই গ্যাস উত্তোলন হয়। যুক্তরাষ্ট্র বা কানাডার মতো শেল গ্যাসের স্তর এখানে অনুকূল নয়, তাই ফ্র্যাকিং করে গ্যাস তোলার প্রয়োজন বা সম্ভাবনা দুটোই অত্যন্ত কম।
ওয়ানপেট্রো এবং ডব্লিউওএআর জার্নাল তাদের গবেষণা তুলে ধরে বলছে, বাংলাদেশের ভূগর্ভে শেল গ্যাসের স্তর পর্যাপ্ত ঘন, পুরু বা সমজাতীয় নয়। ফলে শেল রিজার্ভ থেকে বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক গ্যাস উত্তোলন এখানে প্রায় অসম্ভব।