সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী, জেলার নয়টি উপজেলায় ২৯টি খুঁটি উপড়ে গেছে এবং অন্তত এক হাজার ১০০ স্থানে তার ছিঁড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
এর আগে গতকাল রোববার (১৫ মার্চ) রাত ১২টা থেকে সাহরির সময় পর্যন্ত জেলাজুড়ে দফায় দফায় ঝড়-বৃষ্টি হয়।
ঝড়ের তীব্রতায় গাছপালা ভেঙে পড়লে নিরাপত্তার স্বার্থে পুরো জেলার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) এম এ সাইফ জানান, ঝড়ে প্রাথমিক পর্যায়ে জেলার প্রায় ছয় লাখ গ্রাহকের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সোমবার সকাল থেকে তিন শতাধিক কর্মী শতাধিক দলে বিভক্ত হয়ে জরুরি মেরামত কাজ শুরু করেন। দুপুরের মধ্যে অধিকাংশ এলাকায় সংযোগ সচল করা সম্ভব হলেও এখনো বিপুল সংখ্যক গ্রাহক বিদ্যুৎসেবার বাইরে রয়েছেন।
তবে আশা করছি, সন্ধ্যার মধ্যেই পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে। এদিকে আকস্মিক এ ঝড়-বৃষ্টিতে ধানি জমির কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। উল্টো এ বৃষ্টি বোরো ধানের ফলন বাড়াতে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন কৃষি কর্মকর্তারা।
আজমিরীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুহুল আমিন বলেন, ভোর থেকেই উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ করছেন।
এখন পর্যন্ত ধানক্ষেতে কোনো ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে কিছু স্থানে গাছপালা ভেঙে পড়ায় আমের মুকুল নষ্ট হয়েছে।