গালফ ফুড ফেয়ারের বিস্তৃতি
বিশ্বের খাদ্য ও বেভারেজ খাতের অন্যতম বৃহৎ আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম হলো গালফ ফুড ফেয়ার। এ বছর বিশ্বের ১৯৫টি দেশের সাড়ে ৮ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য ও সেবা এখানে প্রদর্শন করছে। আন্তর্জাতিক বাজার সম্পর্কে বাস্তব ধারণা লাভ, ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক তৈরি এবং প্রতিযোগীদের পণ্য ও বাজার প্রবণতা বিশ্লেষণ করার জন্য এই প্রদর্শনীকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখা হয়।
আকিজ এসেনসিয়ালসের পণ্যের সমাহার
এবারের গালফ ফুড ফেয়ারে আকিজ এসেনসিয়ালস তাদের শতাধিক ভোগ্যপণ্য প্রদর্শন করছে। এর মধ্যে রয়েছে সব ধরনের বেসিক ও মিক্সড মসলা, অ্যারোমেটিক চাল, আটা, ময়দা, সুজি, সরিষার তেল, স্ন্যাকস, আচার, টোস্ট, ড্রাই কেক, কুকিজ, লাচ্ছা সেমাই, মুড়ি ও চিঁড়াসহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী।
অংশগ্রহণের মূল লক্ষ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
গালফ ফুড ফেয়ারে অংশগ্রহণের মূল উদ্দেশ্য সম্পর্কে আকিজ এসেনসিয়ালস লিমিটেডের হেড অব এক্সপোর্ট মো. আহমেদুল কবির বলেন, এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তাঁরা বিশ্বজুড়ে ক্রেতা, পরিবেশক ও আমদানিকারকদের কাছে ব্র্যান্ড পরিচিতি আরও জোরদার করতে চান। পাশাপাশি, নতুন ক্রেতা ও পরিবেশকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন এবং রপ্তানি আদেশ বৃদ্ধি করাই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছ থেকে পণ্যের মান, স্বাদ ও প্যাকেজিং বিষয়ে সরাসরি ফিডব্যাক পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। যা ভবিষ্যৎ পণ্য উন্নয়ন ও ব্যবসা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আকিজ এসেনসিয়ালস ইতোমধ্যে ইউরোপ, এশিয়া, গালফ ও আমেরিকাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে পণ্যের চাহিদা বাড়ানোর কাজ করছে।
নতুন বাজার অনুসন্ধানের উদ্যোগ
মো. আহমেদুল কবির জানান, গালফ ফুড ফেয়ার ২০২৬-এর মাধ্যমে তাঁরা বিদ্যমান রপ্তানি বাজারের পাশাপাশি আফ্রিকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও মধ্য আমেরিকার মতো নতুন বাজারে প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি করতে চান। বর্তমানে আকিজ এসেনসিয়ালস লিমিটেডের পণ্য যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, গ্রিস, পর্তুগাল, ফ্রান্স, বুলগেরিয়া, সৌদি আরব, কাতার, বাহরাইন, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারতসহ মোট ২০টি দেশে নিয়মিত রপ্তানি হচ্ছে।