গণতন্ত্র ও তারেক রহমানের প্রতি আস্থা ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা মনে করেন, ধানের শীষ শুধুমাত্র একটি প্রতীক নয়, এটি দেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন এবং অগ্রগতির প্রতিরূপ। এটি মানুষের বিশ্বাস, ভরসা ও আস্থার প্রতীক। তাদের দাবি, জনগণ তারেকের হাতকে শক্তিশালী করতে ঢাকা-১৭ আসনে তাকে জয়যুক্ত করবে।
ইসলামের নামে ধোঁকা দেওয়ার প্রতিবাদ জোটের নেতারা একটি রাজনৈতিক দলের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, “একটি রাজনৈতিক দল ইসলামের নামে জনগণকে ধোঁকা দিচ্ছে। মানুষ এটা সহ্য করবে না।” তবে কোন দলের প্রতি এই অভিযোগ, তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি।
কর্মসংস্থানই বিএনপির মূল লক্ষ্য জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ও ১২ দলীয় জোটের অন্যতম শীর্ষ নেতা মাওলানা গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম বিএনপির কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর যুব সমাজ গঠন এবং আগামী দিনে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য। তিনি মনে করেন, জনগণ প্রচলিত রাজনীতিতে একটি পরিবর্তন চাইছে।
ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র ও প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন ন্যাশনাল লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ও ১২ দলীয় জোটের অন্যতম শীর্ষ নেতা লায়ন মো. ফারুক রহমান বলেন, আগামীতে ইনসাফের (ন্যায়বিচারের) ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালিত হবে। তিনি উল্লেখ করেন, '৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ’২৪-এর গণঅভ্যুত্থানকে ধারণ করে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে কেবল প্রতিশ্রুতি নয়, প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন দরকার। জনগণের রায়ে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে তারা প্রতিটি সেক্টরে এই পরিকল্পনাগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করবে। তিনি যুব সমাজের কাছে বিএনপির জনমুখী-গণমুখী কর্মপরিকল্পনাগুলো জনগণের সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানান।
উপস্থিত ছিলেন যারা এ সময় পথসভায় জোটের অন্য নেতাদের মধ্যে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন পারভেজ, বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান এম এ বাসার, ইসলামী ঐক্যজোটের ভাইস প্রেসিডেন্ট শওকত আমীন, ইউনাইটেড লিবারেল পার্টির চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম, প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দলের (পিএনপি) চেয়ারম্যান ফিরোজ মুহাম্মদ লিটন, নয়া গণতান্ত্রিক পার্টির মহাসচিব ইমরুল কায়েস এবং ন্যাশনাল লেবার পার্টির দলীয় মুখপাত্র মো. শরিফুল ইসলাম ও ঢাকা মহানগর সভাপতি মাইদুল ইসলাম আসাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।