দেশের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রবর্তন জরুরি উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, এর জন্য ১২ তারিখের নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বগুড়াবাসীর কাছে সমর্থন, সহযোগিতা ও দোয়া চেয়েছেন। তিনি আরও বলেন, গত ১৫ বছর ধরে কেবল বগুড়াই নয়, সমগ্র বাংলাদেশ বঞ্চিত হয়েছে। ভবিষ্যতে আল্লাহ সুযোগ দিলে শুধু বগুড়া নয়, সমগ্র দেশের কথা চিন্তা করা হবে এবং দেশকে সমানভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।
কৃষক ও শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের কৃষক এবং শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দেশের কৃষকরা তাদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে এবং দেশের শিক্ষাব্যবস্থা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।
বগুড়ায় জনসভা ও প্রার্থীদের পরিচয়
বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশার সভাপতিত্বে জনসভায় বগুড়া-১ থেকে বগুড়া-৭ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থীরা বক্তব্য রাখেন। বক্তব্য শেষে তারেক রহমান বগুড়ার ছয়টি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন।
উত্তরবঙ্গ সফরসূচি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারাভিযান চালাতেই তারেক রহমান উত্তরবঙ্গ সফর শুরু করেছেন। উত্তরাঞ্চল সফরের প্রথম দিনে তিনি রাজশাহী ও নওগাঁ জেলা সফর শেষে রাত প্রায় ১২টায় বগুড়া শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠের জনসভা মঞ্চে পৌঁছান। মঞ্চে তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানও উপস্থিত ছিলেন। এর আগে তিনি রাজশাহীর হজরত শাহ মখদুম (রহ.)–এর মাজার জিয়ারত ও ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে সমাবেশে বক্তব্য দেন। পরে নওগাঁর জনসভায় ভাষণ দেন।
নওগাঁ থেকে সড়কপথে বগুড়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার পথে প্রায় ৬০ কিলোমিটার রাস্তার দুপাশে অগণিত নারী-পুরুষ তাকে অভিবাদন জানান ও ফুলেল শুভেচ্ছা দেন। জনস্রোতের কারণে যানজট সৃষ্টি হওয়ায় তার বগুড়া পৌঁছাতে প্রায় ৪ ঘণ্টা সময় লাগে। রাত গভীর হওয়া সত্ত্বেও হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থক তাকে এক নজর দেখতে বিকেল থেকেই আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে অপেক্ষা করেন। মিছিলে মিছিলে বগুড়া শহর উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
আগামী ৩০ ও ৩১ জানুয়ারি তিনি রংপুর ও টাঙ্গাইলে নির্বাচনী জনসভা ও কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন।