**** মরদেহের বিনিময়ে শেষ ইসরায়েলি বন্দি ফেরত****
গাজা যুদ্ধের বন্দি বিনিময়ের (Prisoner Exchange) সর্বশেষ ধাপে ১৫ জন ফিলিস্তিনির মরদেহ আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটির (ICRC) কাছে হস্তান্তর করেছে ইসরায়েল। এর বিনিময়ে গাজা উপত্যকায় আটক থাকা শেষ ইসরায়েলি বন্দির মরদেহ গ্রহণ করে দেশটি। এই মরদেহটি চলতি সপ্তাহের শুরুতে ইসরায়েলি বাহিনী উদ্ধার করেছিল। এই বিনিময় প্রক্রিয়াটি গাজা উপত্যকায় চলমান সংঘাতের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মানবিক পদক্ষেপ।
ইসরায়েলি বন্দির পরিচয় ও নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি
গাজায় থাকা শেষ ইসরায়েলি বন্দির মরদেহটি ছিল পুলিশ সদস্য রান গিভলির। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে হামাসের নেতৃত্বে চালানো হামলার সময় তিনি নিহত হন। ওই দিন হামাস ও অন্যান্য ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী যে ২৫১ জনকে আটক করেছিল, গিভলির মরদেহই ছিল গাজায় থাকা শেষ ইসরায়েলি বন্দির দেহাবশেষ।
নেতানিয়াহুর বক্তব্য: গিভলির জানাজায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তাকে 'ইসরায়েলের বীর' আখ্যা দিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন যে, ভবিষ্যতে হামলা হলে "শত্রুদের কঠিন মূল্য দিতে হবে।"
ফিলিস্তিনিদের মরদেহ হস্তান্তর ও যুদ্ধবিরতির অংশ
আলজাজিরার সাংবাদিক হানি মাহমুদ গাজা থেকে জানান, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ মরদেহগুলো খান ইউনিসের নাসের হাসপাতাল নাকি গাজা সিটির আল-শিফা হাসপাতালে হস্তান্তর করা হবে, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।
যুদ্ধবিরতির অংশ: সর্বশেষ এই বন্দি ও মরদেহ বিনিময় গত ১০ অক্টোবর কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির অংশ ছিল। গাজায় ইসরায়েলের দুই বছরের বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে একাধিক যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় চুক্তির মাধ্যমে ধাপে ধাপে ইসরায়েলি বন্দিদের ফেরত আনা হয়েছে।
অমীমাংসিত প্রশ্ন: হাজার হাজার ফিলিস্তিনি বন্দি
সব ইসরায়েলি বন্দি ফিরিয়ে নেওয়া হলেও, একটি অমীমাংসিত প্রশ্ন থেকেই যায়। ইসরায়েলের বিভিন্ন কারাগারে এখনো হাজার হাজার ফিলিস্তিনি আটক রয়েছেন। তাদের অনেককেই কোনো অভিযোগ বা বিচার ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে বন্দি করে রাখা হয়েছে।