অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যাঁরা
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন মালদ্বীপের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মারিয়াম জুলফা, উচ্চশিক্ষা ও শ্রমমন্ত্রী আলী হায়দার আহমেদ এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপমন্ত্রী জেফারি সেলিম ওয়াহিদ।
এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মোহাম্মদ সাওগী, ভাইস চ্যান্সেলর ড. আয়েশা সেহনাজ এডাম, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও পাকিস্তানের হাইকমিশনারসহ ইউনিসেফের প্রতিনিধি। বাংলাদেশ থেকে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মামুন আহাম্মেদ।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে মালদ্বীপ বিএনপির সভাপতি খলিলুর রহমান, বাংলাদেশ ফোরাম মালদ্বীপের সেক্রেটারি সাজ্জাদ হোসেন, এমআই কলেজের প্রতিষ্ঠাতা আহমেদ মোক্তাদী এবং মালদ্বীপে বসবাসরত বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশ নেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সিলর (শ্রম) মো. সোহেল পারভেজ।
বক্তাদের শ্রদ্ধা ও মূল্যায়ন
আলোচনায় বক্তারা বেগম খালেদা জিয়ার দেশ গঠন ও গণতন্ত্র রক্ষায় তাঁর আপসহীন নেতৃত্বের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনবারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন ও নারীর ক্ষমতায়নে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়। বক্তারা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ও মর্যাদা বৃদ্ধিতে তাঁর কূটনৈতিক অবদানেরও প্রশংসা করেন।
বক্তারা মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী হিসেবে বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগ ও সংগ্রামের কথা উল্লেখ করে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন
অনুষ্ঠানের শেষে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন ও রাষ্ট্র পরিচালনায় অবদানের ওপর ভিত্তি করে একটি সংক্ষিপ্ত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। প্রামাণ্যচিত্রে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, কূটনৈতিক সহযোগিতা এবং জনশক্তি খাতে পারস্পরিক উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরা হয়।