এ ঘটনার একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনা শুরু হয়।
আজ রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকাল থেকে এই ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে নিজাম উদ্দিনকে বলতে শোনা যায়, ‘এখানে ১৬০৮টি ভোট আছে। যদি এখানকার ১৫০০ ভোট কাস্ট হয় আর ২০০ ভোটও যদি বাইরে যায়, আমরা মার্ক করে ফেলেছি। ধরতে পারবো কে কে অন্য মার্কায় ভোট দিয়েছেন। সেটা বের করতে আমাদের কারও কাছে যাওয়া লাগবে না। আপনাদের পেছনে আমাদের গোয়েন্দা লাগানো রয়েছে। আল্লাহর কসম করে বলতেছি, আপনারা এখনই আমাদের সঙ্গে ধানের শীষের ছায়াতলে আসেন। যদি আমরা নির্বাচনের পরে দেখতে পাই, এখান থেকে অন্য মার্কার কেউ আমাদের সঙ্গে থেকে বেইমানি করেছে; ১০ ভোট, ২০ ভোট, ৫০ ভোট অন্য মার্কায় চলে গেছে, তাহলে কিন্তু কোনও রেহাই নেই বলে দিলাম। আপনারা ভিডিও করতেছেন করেন, কোনও সমস্যা নাই। ওপেন চ্যালেঞ্জ করলাম, এখান থেকে ধানের শীষের পক্ষে আপনারা গণজোয়ার সৃষ্টি করবেন। দলীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকাল ৪টায় সোনারগাঁ উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট সাদিপুর এলাকায় নির্বাচনি প্রচারণার সময় উঠান বৈঠকে এমন বক্তব্য দেন নিজাম উদ্দিন। নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নিয়ে এ বক্তব্য দেন। এমন বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘যারা আমাদের দলীয় ধানের শীষের প্রচারণায় অংশ নিয়ে দিনের বেলা আমাদের সঙ্গে থাকে, আর রাতের বেলায় বিরোধীদের সঙ্গে গিয়ে আঁতাত করে; মূলত তাদের বোঝাতে এই বক্তব্য দিয়েছি। আমি কোনও সাধারণ ভোটারদের এটা বলিনি। যারা সেখানে বক্তব্যের সময় উপস্থিত ছিলেন তারা প্রত্যেকে আমার আত্মীয়-স্বজন।
এ বিষয়ে সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাত বলেন, ‘ভিডিওতে হুমকির বিষয়টি নজরে এসেছে। যাচাই-বাছাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে