• দেশজুড়ে
  • শবেবরাত উপলক্ষে তারেক রহমানের বাণী: মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা

শবেবরাত উপলক্ষে তারেক রহমানের বাণী: মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা

বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমান শবেবরাত উপলক্ষে এক বাণীতে ক্ষমা, মুক্তি ও মানবজাতির বৃহত্তর কল্যাণে সহিষ্ণুতা অর্জনের জন্য মুসলমানদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

দেশজুড়ে ১ মিনিট পড়া
শবেবরাত উপলক্ষে তারেক রহমানের বাণী: মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা

পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান এক বাণীতে বাংলাদেশসহ মুসলিম বিশ্বের সব মুসলমানের অব্যাহত সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এই গুরুত্বপূর্ণ বাণীটি প্রকাশ করা হয়। তিনি এই রাতে নাজাত বা মুক্তির জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনার আহ্বান জানান।

পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এক বিশেষ বার্তা দিয়েছেন। এই বাণীতে তিনি বিশ্বের সকল মুসলিমের জন্য শান্তি, কল্যাণ ও উত্তরোত্তর উন্নতি কামনা করেন।

শবেবরাতের তাৎপর্য ব্যাখ্যা

তারেক রহমান তার বাণীতে শবেবরাতের মহিমান্বিত তাৎপর্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, শাবান মাসের এই রাতটি হলো শবেবরাত। 'বরাত' শব্দের অর্থ হলো নাজাত বা মুক্তি। এই রাতের গুরুত্ব ও ফজিলত অপরিসীম বলে তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, শবেবরাতে পরম করুণাময় আল্লাহ তা’আলা তাঁর বান্দাদের জন্য রহমত ও দয়ার ভান্ডার উন্মুক্ত করে দেন। একই সঙ্গে, এই পবিত্র রজনীটি পবিত্র রমজান মাসের আগমনের বার্তাও বহন করে।

ক্ষমা ও মুক্তির প্রার্থনা

বিএনপি চেয়ারপার্সন বলেন, এই রাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের আশায় সারা রাত ইবাদত বন্দেগিতে মগ্ন থাকেন এবং নিজেদের ভুল-ভ্রান্তি ও ত্রুটি-বিচ্যুতির জন্য মহান আল্লাহর কাছে একান্তভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তিনি বিশ্বাস করেন, এই রাতে এমন নেক আমল করা উচিত, যার মাধ্যমে আল্লাহর রহমত ও মাগফিরাত বা ক্ষমা লাভ করা যায়। শবেবরাতের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ তাৎপর্য হলো নাজাত বা মুক্তির সুযোগ। এই রাতে বিশ্বাসী মুসলমানরা সব অনাচার, অপকর্ম ও অপবিত্রতা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।

মানবজাতির কল্যাণে ঐক্য ও সৌহার্দ্য

তারেক রহমান তার বাণীতে মানবজাতির বৃহত্তর কল্যাণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন। তিনি আহ্বান জানান, “আমরা সবাই যদি সহিংসতা, রক্তপাত, হিংসা ও বিদ্বেষ পরিহার করে মানবজাতির বৃহত্তর কল্যাণে সহিষ্ণুতা, সংযম ও সৌহার্দ্য অর্জনে নিজেদের নিবেদিত রাখি, তবে এই মহিমান্বিত রাতে আমাদের এই প্রার্থনা নিশ্চয়ই আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কবুল করবেন।”

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য কামনা

বাণীর শেষ অংশে তারেক রহমান বিশ্ব শান্তিসহ বিশ্ব মুসলিমের ঐক্য, সংহতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য মহান আল্লাহর কাছে একান্ত মোনাজাত করার আহ্বান জানান। এই পবিত্র রজনীতে তিনি দেশ, জাতি তথা মুসলিম বিশ্বের উত্তরোত্তর উন্নতি, কল্যাণ ও শান্তি কামনা করেন।

Tags: politics tarique rahman bnp bangladesh politics islam shab-e-barat