আমরা যদি এই ষড়যন্ত্রকে ১২ তারিখে ঠেকিয়ে দিতে পারি তাহলে ১৩ তারিখ থেকে জনগণের শাসন কায়েম হবে।
তিনি বলেন, ‘১৭ বছর আমি দেশে ছিলাম না, শুনেছি অনেক উন্নয়ন হয়েছে। বাস্তবে দেখলাম উন্নয়নের নামে লুটপাট হয়েছে। এবার সময় এসেছে, আপনাদের কাছ থেকে যে অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছিল সেটির সঠিক প্রয়োগের। আপনাদের কাছে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চাই। আমরা ক্ষমতায় গেলে বেকারদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবো। ফরিদপুর জেলা বিএনপির আয়োজনে আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘ফরিদপুরের উন্নয়ন নিয়ে এই জেলার নেতারা যে দাবিগুলো তুলেছেন, একটি সিটি করপোরেশ ও ফরিদপুরকে বিভাগ ঘোষণা। আমরা আগামীতে আপনাদের ভোটে ক্ষমতায় গেলে অবশ্যই এগুলো পূরণ করা হবে।
তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের অর্ধেক মানুষ নারী। নারী-পুরুষ মিলে মাঠে কাজ করে। নতুন জালিম যাদের মানুষ গুপ্ত হিসেবে চেনে, তাদের নেতা নারীদের নিয়ে কলঙ্কিত শব্দ ব্যবহার করেছে। তারা ইসলামের রাজনীতি করে কিন্তু নারীদের নিয়ে কলঙ্কিত শব্দ ব্যবহার করে।
জুলাইয়ে শহীদদের পরিবারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘যারা গুম খুন ও জুলাইয়ে শহীদ ও আহত হয়েছেন, তাদের প্রত্যাশা ছিল দেশের মানুষের ১৬ বছর ধরে যে অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছিল, সে অধিকার ফিরে পেতে তারা গুমের শিকার, হত্যার শিকার হয়েছেন। জনগণ ১২ ফেব্রুয়ারি তাদের পছন্দের প্রতিনিধি নির্বাচন করবে। যারা দেশ পরিচালনা করবে।
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের অনেক ক্ষতি হয়েছে। এখন দেশ গঠন করতে হবে। নতুন স্কুল-কলেজ তৈরি করতে হবে। মিল কলকারখানা, খাল কাটতে হবে। নদী খনন করতে হবে। কৃষকদের সুবিধার জন্য হিমাগার তৈরি করতে হবে। বহু কাজ আমাদের বাকি রয়ে গেছে।’
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোদারেরছ আলী ইছার সভাপতিত্বে সমাবেশে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তারেক রহমান।
জনসভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, খন্দকার মাশুকুর রহমান মাশুক, চৌধুরী নায়াব ইউসুফ, শহিদুল ইসলাম বাবুল, ফরিদপুর বিএনপির সদস্যসচিব কিবরিয়া স্বপন ও বিএনপি নেতা আবজাল হোসেন খান পলাশ প্রমুখ।