আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অঙ্গন এখন বেশ উত্তপ্ত। এই প্রেক্ষাপটে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নেতাকর্মীদের বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নগরীর ঐতিহাসিক লালদিঘী ময়দানে চট্টগ্রাম-৯ আসনের বিএনপি প্রার্থী আবু সুফিয়ানের সমর্থনে আয়োজিত এক বিশাল গণমিছিল পূর্ব জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নির্বাচন ও রাজপথে অবস্থান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, "ভোটের ফলাফল হাতে না আসা পর্যন্ত আমরা শান্ত হবো না। ১২ ফেব্রুয়ারি রাত পর্যন্ত আমাদের অতন্দ্র প্রহরীর মতো রাজপথে থাকতে হবে।" তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, এবারের নির্বাচনে কোনো অপশক্তির কাছে নতি স্বীকার করা হবে না। ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করার জন্য নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন তিনি।
আদর্শের লড়াই ও তৃণমূলের ভূমিকা চট্টগ্রাম-৯ আসনের প্রার্থী আবু সুফিয়ানকে রাজপথের 'লড়াকু সৈনিক' হিসেবে উল্লেখ করে আমির খসরু বলেন, গত ১৩-১৪ বছরে তারা বারবার কারাবরণ করলেও আদর্শের প্রশ্নে কখনো আপস করেননি। তিনি আরও যোগ করেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া বা তারেক রহমান যেমন হার মানেননি, বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীরাও তেমনি অনড় অবস্থানে রয়েছেন। বিএনপি কোনো কারচুপি নয়, বরং নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের রায় নিয়ে জয়ী হতে চায়।
বিজয় নিয়ে আশাবাদী আবু সুফিয়ান জনসভায় চট্টগ্রাম-৯ আসনের প্রার্থী আবু সুফিয়ান বলেন, দেশের মানুষ ইতিমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে। নিরাপদ বাংলাদেশ এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে জনগণ 'ধানের শীষ' প্রতীককেই বেছে নেবে। তিনি বলেন, "আমরা এর মধ্যেই বিজয়ের সুঘ্রাণ পাচ্ছি। এই বিজয় হবে সাধারণ জনগণের বিজয়।"
অন্যান্য নেতাদের বক্তব্য বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন বলেন, বিএনপির একমাত্র ঠিকানা এ দেশের মাটি ও মানুষ। তিনি দাবি করেন, বিএনপি অতীতেও ক্ষমতায় ছিল এবং তাদের বিরুদ্ধে লুণ্ঠনের কোনো অভিযোগ নেই। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্করের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় আরও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় নেতা সামশুল আলম, নাজিমুর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীসহ স্থানীয় শীর্ষ নেতারা।