তিনি সরাসরি প্রশ্ন তুলে বলেন, “যাদের কোনও শক্তিশালী জনভিত্তি বা ভোট নেই, তারা এতো ভোট পেলো কীভাবে? এটিই প্রমাণ করে পর্দার আড়ালে কী ধরনের কারসাজি হয়েছে। অসংখ্য ব্যালট অন্যায়ভাবে বাতিল করা হয়েছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।”
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজ শেষে রাজধানীর শাহজাহানপুরে নিজ পারিবারিক কবরস্থান জিয়ারত করেন ঢাকা-৮ আসনের নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্য। জিয়ারত শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি নির্বাচনের বিভিন্ন দিক নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন।
এক প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস বলেছেন, একটি বিশেষ গোষ্ঠী নির্বাচনে ব্যাপক ‘ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং’ করেও শেষ পর্যন্ত সফল হতে পারেনি। তিনি এই ধরনের অপচেষ্টাকে জাতির জন্য এক ‘অশুভ লক্ষণ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ে নেতাকর্মীদের কোনও ধরনের বিজয় মিছিল বা উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি না করার নির্দেশ দেন মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, “এখন সময় শান্ত থাকার এবং দেশ পুনর্গঠনে ধৈর্য ধারণ করার। আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করতে চাই না।”
নির্বাচনে কারচুপির আশঙ্কা শুরু থেকেই ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, “জনজোয়ারের কাছে সেই ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ পর্যন্ত টেকেনি। তবে ভোটের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েই গেছে।” পুনরায় ভোট গণনার কোনও সম্ভাবনা আছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এ সংক্রান্ত যেকোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার সম্পূর্ণ নির্বাচন কমিশনের।