শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত জাকির হোসেনকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত কামিল আহমদ উপজেলার বারহাল ইউনিয়নের মনতৈল গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে ও হামলাকারী জাকির আহমদের ছোট ভাই।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে পরিবারের সদস্যরা একসঙ্গে খাবার খেতে বসেন। এসময় খাবার মান নিয়ে কামিল আহমদ ও জাকির আহমদের স্ত্রীর মধ্যে কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে জাকির আহমদ স্ত্রীর পক্ষ নিয়ে তার ছোট ভাইয়ের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন কামিল। তখন উত্তেজিত হয়ে জাকির কাঠের টুকরা দিয়ে কামিলের মাথায় আঘাত করলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।
গুরুতর অবস্থায় কামিলকে পার্শ্ববর্তী চারখাই এলাকার একটি ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে ফিরিয়ে আনেন। পরে শনিবার সকালে তার অবস্থার অবনতি হলে আবারও হাসপাতালে দিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত জাকিরকে আটক করা হয়।
জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
ময়নাতদন্ত শেষে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে জাকির আহমদকে একমাত্র আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন। পুলিশ এরই মধ্যে তাকে গ্রেপ্তার করেছে। তিনি আরও বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।