• আন্তর্জাতিক
  • নতুন চার মহাকাশচারী পৌঁছালেন মহাকাশ স্টেশনে

নতুন চার মহাকাশচারী পৌঁছালেন মহাকাশ স্টেশনে

আন্তর্জাতিক ১ মিনিট পড়া
নতুন চার মহাকাশচারী পৌঁছালেন মহাকাশ স্টেশনে

দীর্ঘ এক মাস ধরে জনবল সংকটে ছিল আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (আইএসএস)। সেখানে কাজ করছিলেন মাত্র তিনজন। অবশেষে নতুন চার মহাকাশচারী পৌঁছেছেন। ফলে আবার পূর্ণ দল নিয়ে কাজ শুরু হলো মহাকাশ গবেষণাগারে।

শুক্রবার ভোরে ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল থেকে যাত্রা শুরু করে নাসা ও স্পেসএক্সের যৌথ মিশন ‘ক্রু-১২’। প্রায় ৩০ ঘণ্টা মহাকাশে ভেসে থাকার পর শনিবার মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছে ক্যাপসুলটি নিরাপদে সংযুক্ত হয়। আইএসএস পৃথিবী থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার ওপরে ঘুরছে।

এই মিশনে আছেন নাসার জেসিকা মেয়ার ও জ্যাক হ্যাথাওয়ে, ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার (ইএসএ) সোফি অ্যাডেনো এবং রাশিয়ার মহাকাশচারী আন্দ্রেই ফেদিয়ায়েভ। তাদের আগমনের ফলে স্টেশনে কর্মরত সদস্য সংখ্যা আবার সাতজনে দাঁড়াল।

এর আগে ‘ক্রু-১১’ মিশনের এক সদস্যের হঠাৎ অসুস্থতার কারণে পুরো দলকে নির্ধারিত সময়ের আগেই ফিরে আসতে হয়। এতে স্টেশনে মাত্র তিনজন থেকে যান। সাধারণত নতুন দল আসার সময় পুরোনো দলের সঙ্গে সরাসরি দায়িত্ব হস্তান্তর (হ্যান্ডওভার) হয়। কিন্তু এবার জরুরি পরিস্থিতির কারণে তা সম্ভব হয়নি। তবে মাটিতে নেমে আগের দল নতুনদের প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে গেছে।

নাসা জানিয়েছে, মহাকাশ স্টেশন সচল রাখতে পূর্ণ সদস্য থাকা জরুরি। এই স্টেশন পরিচালনায় বছরে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়। তাই গবেষণার কাজ ঠিকমতো চালাতে জনবল খুব গুরুত্বপূর্ণ।

নতুন দল প্রায় আট মাস মহাকাশে থাকবেন। তারা রক্তনালির আল্ট্রাসাউন্ড পরীক্ষা (শরীরের ভেতরের রক্ত চলাচল দেখা), নিউমোনিয়া সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া নিয়ে ওষুধ গবেষণা এবং চাঁদে অবতরণের অনুশীলন করবেন। এতে হঠাৎ মাধ্যাকর্ষণ পরিবর্তন হলে মানুষের শরীর ও মস্তিষ্কে কী প্রভাব পড়ে, তা বোঝা যাবে। বিজ্ঞানীদের আশা, এই গবেষণা ভবিষ্যতের চাঁদ ও গভীর মহাকাশ অভিযানে বড় ভূমিকা রাখবে।

Tags: মহাকাশচারী মহাকাশ