• ক্যাম্পাস
  • খুবিতে উৎসবমুখর পরিবেশে মাছ ধরার উৎসব সম্পন্ন, পুরস্কৃত ৩ শিক্ষার্থী

খুবিতে উৎসবমুখর পরিবেশে মাছ ধরার উৎসব সম্পন্ন, পুরস্কৃত ৩ শিক্ষার্থী

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুকুরে দিনভর আনন্দঘন পরিবেশে মাছ ধরলেন শিক্ষার্থীরা, গ্রামীণ ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে খুবি উপাচার্যের বিশেষ উদ্যোগ।

ক্যাম্পাস ১ মিনিট পড়া
খুবিতে উৎসবমুখর পরিবেশে মাছ ধরার উৎসব সম্পন্ন, পুরস্কৃত ৩ শিক্ষার্থী

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) তিন নম্বর একাডেমিক ভবন সংলগ্ন পুকুরপাড়ে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী এক মাছ ধরার উৎসব। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দিনভর চলা এই আয়োজনে বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। বিকেলে সবচেয়ে বেশি ওজনের মাছ শিকারি তিন শিক্ষার্থীর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ার মাধ্যমে উৎসবের সমাপ্তি ঘটে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক জীবনের একঘেয়েমি কাটাতে এবং গ্রামীণ ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত করতে এক আনন্দঘন মাছ ধরার উৎসবের আয়োজন করা হয়। বুধবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে এই উৎসবের উদ্বোধন করেন।

উৎসবের আয়োজন ও উদ্বোধন বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন নম্বর একাডেমিক ভবন সংলগ্ন পুকুরপাড়ে আয়োজিত এই উৎসবে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। উদ্বোধনকালে উপাচার্যের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. হারুনর রশীদ খান এবং ছাত্রবিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মো. নাজমুস সাদাত। বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীরা বড়শিসহ মাছ ধরার সরঞ্জাম নিয়ে পুকুরপাড়ে ভিড় জমান।

বিজয়ীদের নাম ও পুরস্কার বিতরণ সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলা এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা সবচেয়ে বড় এবং ওজনে বেশি মাছ শিকার করেছেন, তাদের পুরস্কৃত করা হয়। প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের ২৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী নাঈমুল হাসান রামিম। দ্বিতীয় হন বিজিই ডিসিপ্লিনের ২২ ব্যাচের শিক্ষার্থী ইয়ামিন এবং তৃতীয় স্থান লাভ করেন ভাস্কর্য ডিসিপ্লিনের ২৫ ব্যাচের আমিরুল এহসান।

কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, “শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বাড়ানোর পাশাপাশি গ্রামীণ সংস্কৃতির স্বাদ দিতেই এই আয়োজন। একাডেমিক ব্যস্ততার ফাঁকে এমন অনুষ্ঠান শিক্ষার্থীদের মনে ভিন্নধর্মী সজীবতা তৈরি করে।” তিনি আরও জানান, আগামীতেও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এবং সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনে এমন উদ্যোগ অব্যাহত রাখা হবে।

ছাত্রবিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মো. নাজমুস সাদাত বলেন, শিক্ষার্থীরাই বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল শক্তি। তাদের মানসিক বিকাশ এবং বিনোদনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সর্বদা সচেষ্ট থাকবে।

শিক্ষার্থীদের অনুভূতি উৎসব শেষে বিজয়ীরা তাদের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে জানান, এটি তাদের জন্য একটি অনন্য অভিজ্ঞতা ছিল। সহপাঠীদের সঙ্গে পুকুরপাড়ে মাছ ধরার মুহূর্তগুলো ক্যাম্পাসের স্মৃতিতে অমলিন হয়ে থাকবে। এ ধরনের গ্রামীণ আবহের উৎসব আয়োজনের জন্য তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

Tags: campus news khulna university fish-catching-festival student-engagement professor-rezaul-karim