এলাকার চা-জনগোষ্ঠী ও নৃ-গোষ্ঠীসহ যে ২৯টি জাতিগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে, তাদের প্রত্যেকের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শ্রীমঙ্গল উপজেলার প্রবেশদ্বার ‘চা কন্যা ভাস্কর্য’ এলাকায় দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। নির্বাচনের পর প্রথমবারের মতো নিজ এলাকায় এসে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এমন প্রতিক্রিয়া জানান।
মুজিবুর রহমান চৌধুরী বলেন, এই বিজয় আমার একার নয়; এটি এলাকার সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষের ত্যাগের ফসল। আপনারা আমাকে যে ভালোবাসার উপহার দিয়েছেন, তা আমি উপজেলা ও পৌরবাসীকে উৎসর্গ করলাম। আমার মূল লক্ষ্যই হচ্ছে শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জকে নতুন করে সাজানো এবং এলাকার মানুষের কল্যাণে নিবেদিত হয়ে কাজ করা।
পর্যটন ও সড়ক নিরাপত্তা প্রসঙ্গে সংসদ সদস্য বলেন, সাতগাঁও ইউনিয়নের চা কন্যা ভাস্কর্য সংলগ্ন সড়কটি বর্তমানে বেশ ঝুঁকিপূর্ণ।
প্রতিদিন এখানে প্রচুর পর্যটক ছবি তুলতে আসেন, কিন্তু হাইওয়ের পাশে হওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি থেকে যায়। আমি সড়ক ও জনপথ বিভাগকে অনুরোধ জানাব যেন সড়কটি প্রশস্ত করে পর্যটকদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়। শ্রীমঙ্গলে পা রাখলেই যেন পর্যটকরা একটি চমৎকার ও নিরাপদ অনুভূতি পান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নুরে আলম সিদ্দিকী, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদুল হাসান, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি নিয়ামূল হক তরফদার, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি জালাল আহমেদসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
পরবর্তীতে সংসদ সদস্য শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রোগীদের খোঁজখবর নেন এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে রোগীদের জন্য পুষ্টিকর খাদ্য (দুধ) সরবরাহ করেন। হাসপাতালের বিদ্যমান সমস্যাগুলো নিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং এ বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।