ইনস্টাগ্রামে ভাইরাল হওয়া স্টান্টের ভিডিওগুলোতে দেখা যায়, একটি ব্যস্ত রাস্তায় তিনটি মোটরসাইকেলে চারজন যুবক স্টান্ট করছেন। তাদের মধ্যে একজন ছিলেন মোটরসাইলেকের পেছনে। ওই আরোহী চলন্ত মোটরসাইকেলের ওপর দাঁড়িয়ে হাত নাড়াচ্ছিলেন।
যেটি অত্যন্ত বিপজ্জনক ও বেআইনি কাজ হিসেবে বিবেচিত। মোটরসাইকেল তিনটির মধ্যে দুটির হেডলাইট ঠিকমতো জ্বলছিল না। তাছাড়া দুটি মোটরসাইকেলে নামের আদ্যক্ষর সংবলিত স্টিকার লাগানো ছিল।
বাইক স্টান্টের ভিডিওগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর দিল্লি পুলিশ দ্রুত মাঠে নামে।
অভিযান চালিয়ে তারা অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। তবে অপর একজনের বিষয়ে কোনো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। দিল্লি পুলিশ স্টান্টে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলগুলোও জব্দ করেছে।
পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে মোটরসাইকেলের মাধ্যমে বেপরোয়া ও ঝুঁকিপূর্ণ কর্মকাণ্ড করার অভিযোগ পান।
আরোহীদের বিরুদ্ধে ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা’ অনুযায়ী বেপরোয়া বা অবহেলার সঙ্গে গাড়ি চালানো এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিপন্ন করার অভিযোগ আনা হয়েছে। সেইসঙ্গে মোটরযান আইনের ধারাও যুক্ত করা হয়েছে। গ্রেপ্তার তিনজন হলেন ২২ বছর বয়সী তুষার পুনিয়া এবং ২০ বছর বয়সী তানিষ্ক মাভি ও পুষ্পেন্দ্র। তারা উত্তর-পূর্ব দিল্লির খাজুরি খাস এলাকার বাসিন্দা।