পাঁচ কন্যার জনক সালাম চৌধুরী দ্য নিউ নেশন-এর জেলা প্রতিনিধি এবং হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট স্টেশন এলাকার বাসিন্দা।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। প্রায় এক বছর আগে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হোঁচট খেয়ে পায়ের গোড়ালিতে ব্যথা পান। পরে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় টয়লেটে পা পিছলে গিয়ে ডান পায়ের হাড় ভেঙে যায়।
উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার বারডেম হাসপাতালে পাঠানো হয়।
সেখানে পায়ে রিং পরানো হলেও কার্যকর ফল আসেনি। কয়েক মাস আগে পায়ে পচন ধরলে চিকিৎসকরা হাঁটুর নিচ থেকে পা কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত নেন।
এ পর্যন্ত চিকিৎসায় প্রায় নয় লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুই মাস শয্যাশায়ী থাকার পর কৃত্রিম পা সংযোজন করা যাবে।
এতে আরও দুই লাখ টাকার প্রয়োজন হবে।
সালাম চৌধুরী সাংবাদিকতার পাশাপাশি বিজ্ঞাপন বিভাগের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তিন মেয়েকে লেখাপড়া শেষ করে বিয়ে দিয়েছেন। বাকি দুই মেয়ে অধ্যয়নরত।
তিনি বলেন, প্রতিদিন দুই হাজার টাকার ওষুধ খরচ হচ্ছে। পা স্থাপন করতে গেলে আরও তিন লাখ টাকা প্রয়োজন। কাজে যেতে পারছি না। সামনের দিনগুলো কীভাবে কাটবে, তা ভেবে দিশেহারা হয়ে যাচ্ছি।
তিনি সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন। কয়েকজন সহকর্মী বলেন, সালাম চৌধুরী ১৯৯৭ সাল থেকে সাংবাদিকতায় যুক্ত। বর্তমানে দ্য নিউ নেশনসহ বিভিন্ন পত্রিকায় কাজ করেছেন। বিপদের দিনে আমরা তার পাশে দাঁড়াতে চাই।