এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠেছে, দুই পক্ষ কি ‘কনভেনশনাল ওয়ার’ বা ‘প্রচলিত যুদ্ধে’ জড়াবে?
কয়েকজন বিশ্লেষকের মতে, আফগানিস্তানের তালেবানের পক্ষে পাকিস্তানের সঙ্গে প্রচলিত যুদ্ধ করার সম্ভাবনা কম।
যুদ্ধে এখন পর্যন্ত মুখোমুখি অবস্থান নিয়ে থাকলেও পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সামরিক সক্ষমতার বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে।
পারমাণবিক অস্ত্রে সজ্জিত পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী নিয়মিত বিশ্বের সামরিক শক্তির শীর্ষ ১৫ দেশের মধ্যে স্থান পেয়ে থাকে।
অন্যদিকে আফগান তালেবানের একই ধরনের সামরিক সক্ষমতার ঘাটতি রয়েছে এবং তারা নিজেরাই অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।
তালেবান বাহিনীর হাতে থাকা অস্ত্র মূলত তিনটি উৎস থেকে এসেছে- সাবেক আফগান সেনাবাহিনীর ফেলে যাওয়া অস্ত্র, দেশ ছেড়ে যাওয়া বিদেশি বাহিনীর রেখে যাওয়া সামরিক সরঞ্জাম এবং কালোবাজারসহ বিভিন্ন উৎস থেকে নতুন করে সংগ্রহ করা অস্ত্র।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, অতীতের সীমান্ত সংঘর্ষের ভিডিওতে দেখা যায়, তালেবান বাহিনী বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে হালকা অস্ত্র ব্যবহার করেছে।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, তালেবানদের গেরিলা যুদ্ধের ব্যাপক অভিজ্ঞতা রয়েছে।
একজন আফগান নিরাপত্তা বিশ্লেষক বিবিসি উর্দুকে বলেন, পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে তালেবানদের অনেক সংঘর্ষেই অতর্কিত হামলা ও সড়কপথে বোমা পেতে রাখার মতো গেরিলা কৌশল ব্যবহার করা হয়।
দুই পক্ষের এখনকার কৌশল নিয়ে পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক বিশ্লেষক ও আটলান্টিক কাউন্সিলের দক্ষিণ এশিয়ার সিনিয়র ফেলো মাইকেল কুগেলম্যান বলেন, সাম্প্রতিকতম হামলায় ‘সশস্ত্র গোষ্ঠীকে লক্ষ্যবস্তুর’ বদলে আফগানিস্তানে তালেবানদের সরকারি স্থাপনাগুলোকে নিশানা করছে পাকিস্তান।
বিবিসির নিউজডে প্রোগ্রামে তিনি বলেছেন, ‘এটি এখন শাসকগোষ্ঠীকেই নিশানা করছে।