তেহরানের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, তারা বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন।
এদিকে, স্থানীয় সময় সকাল ৮:১৫ মিনিটে ইসরায়েলজুড়ে সাইরেন বেজে ওঠে।
যার মাধ্যমে সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকির বিষয়ে জনগণকে সতর্ক করা হয়েছে। ইরান ও মার্কিন কর্মকর্তাদের মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করা এবং যুদ্ধ এড়ানোর লক্ষ্যে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মধ্যে ইসরায়েলি হামলার ঘটনা ঘটল। এ আলোচনা আগামী সপ্তাহেও অব্যাহত থাকার কথা ছিল।
ইরান আলোচনায় কিছু বিষয়ে ছাড় দিয়েছিল, যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার বলেছেন, আলোচনার গতিপ্রকৃতি নিয়ে তিনি খুব একটা ‘উচ্ছ্বসিত’ নন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আগেই ইরানের নেতাদের একটি চুক্তিতে রাজি হতে চাপ দিতে হামলার হুমকি দিয়েছিলেন। এদিকে ইরান পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, হামলার জবাব তারা শক্তির মাধ্যমেই দেবে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বলেছেন, ‘ইসরায়েল রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হুমকি দূর করার জন্য’ এই ‘প্রতিরোধমূলক হামলা’ চালানো হয়েছে।
গত জুনে ইসরায়েল ইরানে হামলা চালিয়েছিল, যার মাধ্যমে ১২ দিনের যুদ্ধ শুরু হয়।
শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রও সেই সংঘাতে ইসরায়েলের সঙ্গে যোগ দিয়ে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল।