• রাজনীতি
  • জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হলেন ব্যারিস্টার আরমান: আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক তৎপরতায় নতুন সমীকরণ

জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হলেন ব্যারিস্টার আরমান: আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক তৎপরতায় নতুন সমীকরণ

রাজনীতি ১ মিনিট পড়া
জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হলেন ব্যারিস্টার আরমান: আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক তৎপরতায় নতুন সমীকরণ

ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য মীর আহমদ বিন কাসেম আরমানকে গুরুত্বপূর্ণ এই দায়িত্ব দিলেন সংসদীয় বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান; বিশ্বমঞ্চে দলের অবস্থান সুসংহত করার নতুন লক্ষ্য।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা (Foreign Affairs Advisor) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ঢাকা-১৪ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম (আরমান)। সোমবার (২ মার্চ) দিবাগত রাতে ব্যারিস্টার আরমানের অফিশিয়াল মিডিয়া সেলের (Media Cell) ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বিবৃতির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

কূটনৈতিক তৎপরতায় নতুন মোড় দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ব্যারিস্টার আরমান এখন থেকে জামায়াতে ইসলামীর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক (International Relations) ও বৈদেশিক নীতি সংক্রান্ত যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন। ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই তিনি রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন। এবার দলীয় আমিরের উপদেষ্টা হিসেবে তাঁকে নিয়োগ দেওয়াকে দলের একটি কৌশলগত ও যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়ন এবং বহির্বিশ্বে দলের ইমেজ বিল্ডিংয়ে (Image Building) একজন দক্ষ আইনি বিশেষজ্ঞ ও জনপ্রতিনিধিকে সামনে নিয়ে আসার বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ।

দায়িত্ব ও আগামীর চ্যালেঞ্জ নবনিযুক্ত এই উপদেষ্টা এখন থেকে দলের আন্তর্জাতিক ডেস্কের প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করবেন। বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মিশন (Diplomatic Mission), আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা এবং প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সমন্বয় সাধনের দায়িত্ব থাকবে তাঁর কাঁধে। একজন ব্যারিস্টার হিসেবে আইনি জ্ঞান এবং সংসদ সদস্য হিসেবে রাজনৈতিক প্রজ্ঞা—উভয়কেই কাজে লাগিয়ে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জামায়াতের অবস্থানকে আরও জোরালো করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও প্রতিক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ এই দায়িত্ব পাওয়ার পর ব্যারিস্টার আরমান দলীয় আমিরের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি এক প্রতিক্রিয়ায় জানান, আমানত হিসেবে পাওয়া এই দায়িত্ব তিনি সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করার চেষ্টা করবেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও মুসলিম বিশ্বের সাথে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে তিনি কাজ করে যাবেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁর এই নিয়োগের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁকে অভিনন্দন ও শুভকামনা জানাচ্ছেন। নেতাকর্মীরা মনে করছেন, তরুণ ও মেধাবী এই নেতৃত্বের হাত ধরে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দলটির প্রভাব ও গ্রহণযোগ্যতা আরও বৃদ্ধি পাবে।

ব্যারিস্টার আরমান ইতিপূর্বেও বিভিন্ন ইস্যুতে মানবাধিকার ও আইনি লড়াইয়ে সরব ছিলেন। ঢাকা-১৪ আসনে নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি ঘোষণা করেছিলেন যে, প্রতি ৬ মাস অন্তর সরকারি বরাদ্দের হিসাব জনগণের কাছে দেবেন। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সেই ধারাবাহিকতা এখন কূটনৈতিক অঙ্গনেও তিনি কতটা প্রতিফলন ঘটাতে পারেন, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

Tags: jamaat islami barrister arman