• দেশজুড়ে
  • রাঙ্গামাটিতে ঈদ বাজারে উপচেপড়া ভিড়

রাঙ্গামাটিতে ঈদ বাজারে উপচেপড়া ভিড়

দেশজুড়ে ১ মিনিট পড়া
রাঙ্গামাটিতে  ঈদ বাজারে উপচেপড়া ভিড়

দেবদত্ত মুৎসুদ্দী,রাঙ্গামাটি

রমজানের ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে শনিবার দিনে রাঙ্গামাটি শহরের রির্জাব বাজার, তবলছড়ি, বনরুপা মার্কেট, শপিংমল ও বিপণিবিতানগুলোতে দেখা গেছে উপচেপড়া ক্রেতার ভিড়। সকাল থেকেই কেনাকাটায় জমে ওঠে ঈদ বাজার। ইফতারের পরপরই বাজার এলাকার আশ পাশের ফুতপাত, মার্কেট ,বিপণিকেন্দ্রগুলোতে সৃষ্টি হয় মানুষের ঢল।

পরিবার-পরিজন, শিশু, কিশোর, কিশোরি, যুবক,যুবতি দলে দলে ক্রেতারা ছুটছেন পছন্দের পোশাক ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে। মার্কেট সহ দোকানজুড়ে রঙিন আলোকসজ্জা, নতুন পোশাকের আকর্ষণীয় প্রদর্শনী আর ক্রেতাদের কোলাহলে পুরো বাজার তৈরি হয়েছে এক উৎসবমুখর পরিবেশ।

রাঙ্গামাটি শহরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, কেনাকাটায় নারী ও শিশুদের উপস্থিতিই সবচেয়ে বেশি। তাদের পছন্দের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে বিভিন্ন বিদেশি ডিজাইনের পোশাক। পেণ্ট, সার্ট, টিসাট, ফার্সি সালোয়ার-কামিজ, পাকিস্তানি ও ভারতীয় ব্র্যান্ডের থ্রি-পিস, বিভিন্ন পার্টি ড্রেসে, জুতা, কসমেটিকসে ভরে উঠেছে দোকানপাট।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, রমজানের শুরু থেকেই বাজারে কেনাকাটার ধারা তৈরি হয়েছে এবং দিন যত যাচ্ছে, ততই বাড়ছে বিক্রি ও ক্রেতার উপস্থিতি।

মনেরেখ শাড়ী দোকানের বিক্রেতা কাদের জানান, রমজানের প্রথম সপ্তাহ পার হওয়ার পর থেকেই বাজারে দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে। তিনি বলেন, রমজানের মাঝামাঝি সময়ে ইফতারের পর দোকানে দাঁড়ানোর জায়গা থাকে না। ক্রেতারা এখন অনেক সচেতনভাবে পোশাক বেছে নিচ্ছেন। বিদেশি ব্র্যান্ডের ডিজাইন, কাপড়ের কাজ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণার কারণে মানুষ সেগুলোর প্রতি বেশি আকৃষ্ট হচ্ছে। বিশেষ করে পাকিস্তানি থ্রি-পিসের প্রতি তরুণীদের আগ্রহ চোখে পড়ার মতো। ঈদের যত দিন ঘনিয়ে আসবে, বিক্রিও তত বাড়বে বলে আমরা আশা করছি।

সুপ্লেজ দোকানদার ফারুক জানান, ক্রেতাদের বাজেট ও পছন্দ ভেদে আমরা বিভিন্ন মান ও দামের জুতা রেখেছি। ৪০০ থেকে শুরু করে ৩০০টাকার জুতা আমরা রেখেছি।তবে বিদেশি জুতার চাহিদা বেশি। বিশেষ করে কিছু ক্রেতা আছে তারা দাম দেখে নয় মান দেখে জুতা কিনে থাকেন।

ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ডিজাইন ও বৈচিত্র্যের কারণেই বিদেশি পোশাকের দিকে ঝুঁকছেন অনেকে। ক্রেতা নুরজাহান বেগম বলেন, ঈদের জন্য একটু আলাদা কিছু পরতে চাই। বিদেশি থ্রি-পিসগুলোতে নকশা ও কাজ বেশি থাকে, রঙের সুন্দর। দাম তুলনামূলক বেশি হলেও উৎসবের জন্য ভালো কিছু কিনতেই চাই, তাই বিদেশি কালেকশনই বেছে নিচ্ছি।

কলেজছাত্রী রুনা জানান, এবার গরমের কথা মাথায় রেখে আরামদায়ক পোশাক খুঁজেছি। ভালো ডিজাইনের মধ্যে হালকা কাপড়ের ড্রেস নিয়েছি, যাতে ঈদের দিন স্বাচ্ছন্দ্যও থাকে আবার ফ্যাশনও বজায় থাকে। দাম কিছুটা বেশি মনে হলেও ঈদ বলে কথা।