তারপরও লিটনের ব্যাটিং অর্ডার নানা সময়ে, নানা কারণে পেছনো হয়েছে।
এবারও পেছানো হচ্ছে কিপিংয়ের কারণেই! দলের কোচ ফিল সিমন্স মনে করেন, ৫০ ওভার কিপিং করে ওপেনিংয়ে ব্যাট করা সম্ভব নয়।
ওয়ানডে ক্রিকেটে লিটনের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স খুবই অস্বস্তিকর। শেষ ১৫ ইনিংসে তার একটি মাত্র ফিফটি রয়েছে। সর্বশেষ আট ম্যাচে তিনি ডাবল ডিজিটেও পৌঁছাতে পারেননি এবং চারবার শূন্য রানে আউট হয়েছেন।
দিনের পর দিন ব্যর্থতা সঙ্গী হলেও টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থা হারাননি তিনি। পাকিস্তান সিরিজেও তার ওপর আস্থা রেখেছে টিম ম্যানেজমেন্ট। পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে লিটনকে সুযোগ দেওয়া নিয়ে প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু বলেছিলেন, ‘লিটন দাসের সাম্প্রতিক ওয়ানডে ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে। তবে তিনি কোচদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছেন।
আমরা বিশ্বাস করি, লিটন শিগগিরই এই ফরম্যাটে ভালো করবে। মিডল অর্ডার শক্তিশালী করতে বিকল্প হিসেবেও তাকে বিবেচনা করা হয়েছে।’ ওয়ানডেতে লিটনের পাঁচটি সেঞ্চুরি রয়েছে, যার সবগুলোই এসেছে ওপেনিংয়ে ব্যাট করতে নেমে। চার বা পাঁচ নম্বর পজিশনে লিটন একাধিকবার ব্যাটিং করলেও তার সর্বোচ্চ রান অপরাজিত ৯৪। ওই একটিই হাফ সেঞ্চুরি।
পরিসংখ্যানও বলে দেয়, এই পজিশনে ব্যাটিংয়ে লিটন কতটা অস্বস্তিতে থাকেন। সোমবার দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন। লিটনকে মিডল অর্ডারে খেলানোর কারণ হিসেবে তার যুক্তি, একজন উইকেটকিপারের জন্য ওপেনিংয়ে ব্যাট করা বেশ কঠিন।
তিনি বলেন, ‘প্রথমত, একজন উইকেটকিপারের জন্য পুরো ৫০ ওভার কিপিং করার পর এসে ওপেন করা খুবই কঠিন। আর সে স্পিন বোলিং ভালো খেলে। তাই মিডল অর্ডারে নামলে সেটা দলের জন্য উপকারে আসতে পারে। আমাদের মিডল অর্ডার এখন অনেকটাই দুর্বল অবস্থায় আছে। তার অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা সেই ঘাটতি পূরণে ভূমিকা রাখবে।’
লিটনের ব্যাটিং পজিশন নিয়ে সিমন্স আরও বলেন, ‘সে আসলে যেকোনো পজিশনে ব্যাট করতে স্বচ্ছন্দবোধ করে। এই মুহূর্তে নিজের খেলাটা নিয়েও সে অনেক বেশি স্বস্তিতে আছে। দলের প্রয়োজনে যে দায়িত্বই দেওয়া হোক, সে এটাকে সুযোগ হিসেবেই দেখছে।’