একই সঙ্গে খাল খনন কাজে যন্ত্রের ব্যবহার সীমিত রেখে অন্তত ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ সাধারণ শ্রমিককে সম্পৃক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পানি উন্নয়ন বোর্ডের খাল খনন বিষয়ক পর্যালোচনা বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, একই দিনে দেশের আরও ৫৪টি জেলায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। এরপর পর্যায়ক্রমে বাকি জেলাগুলোতেও এ কর্মসূচি শুরু হবে।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী আগামী চার বছর ধরে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এর আওতায় সারা দেশে মোট ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে।
মীর শাহে আলম বলেন, খাল খনন কার্যক্রম বাস্তবায়নে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং কৃষি মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করবে।
তিনি আরও বলেন, খাল খননের কাজে স্থানীয় জনগণ ও শ্রমিকদের সম্পৃক্ত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। যন্ত্রের ব্যবহার সীমিত রেখে অন্তত ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ খননকাজ সাধারণ শ্রমিকদের মাধ্যমে সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কিছু ক্ষেত্রে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীদেরও এ ধরনের জনসম্পৃক্ত কর্মসূচিতে যুক্ত করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বাকি জেলাগুলোতে খাল খনন কার্যক্রম কবে শুরু হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৬ মার্চের উদ্বোধনের পর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য জেলাগুলোতেও এ কর্মসূচি শুরু হবে।
মীর শাহে আলম বলেন, এটি রাজনৈতিক অঙ্গীকার, আর জনবান্ধব কর্মসূচি।
‘এর আগে খাল খননের নামে বেশ কিছু লুটপাটের চিত্র দেখা গেছে’—এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই জন্যই তো আমরা জনসম্পৃক্ততা বাড়াচ্ছি, লেবার দিয়ে কাজ করানোর কথা বলছি। জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর কথা বলছি এবং মাঠে নিজে স্থানীয় মন্ত্রী এবং এমপিরা থাকবেন।