শৈশবে ফারিন খানের ঈদের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল তার ছোট খালুর দেওয়া উপহার। খালু তার জন্য একটি ‘রানী ফ্রক’ কিনে আলমারিতে লুকিয়ে রাখতেন এবং ঈদের আগের দিন রাতে সারপ্রাইজ হিসেবে সেটি ফারিনকে দিতেন। সব কেনাকাটা শেষ হওয়ার পরও এই বিশেষ উপহারটির জন্য তিনি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতেন। ফারিন জানান, সেই দিনগুলোর কথা মনে পড়লে আজও তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।
প্রিয় খালুর প্রয়াণ ও বদলে যাওয়া ঈদ ফারিন খানের শৈশবের ঈদ ছিল কর্মমুখর। ভোরে ঘুম থেকে ওঠা, দ্রুত গোসল সেরে তৈরি হওয়া এবং খালু ও খালাতো ভাইদের সঙ্গে ঈদের নামাজ পড়তে যাওয়া—সবই ছিল তার রুটিনের অংশ। তবে কয়েক বছর আগে তার সেই প্রিয় খালু মারা যাওয়ার পর থেকে ফারিনের ঈদের আমেজ অনেকটাই ম্লান হয়ে যায়। যদিও সময়ের ব্যবধানে এখন সেই শোক কিছুটা কাটিয়ে উঠেছেন তিনি।
ঈদের সালামি ও বর্তমান পরিকল্পনা ঈদে সালামি পাওয়ার বিষয়টিও ফারিনের কাছে খুব আনন্দের। তিনি জানান, সালামি হিসেবে তিনি সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেয়েছেন, আবার সর্বনিম্ন ২ হাজার টাকা পাওয়ার অভিজ্ঞতাও তার রয়েছে। এবারের ঈদে তিনি দীর্ঘ সময় পর আত্মীয়স্বজনের বাসায় যাওয়ার এবং সাজগোজ করার পরিকল্পনা করেছেন। ঈদের প্রথম দিনটি তিনি পুরোপুরি নিজের পরিবারের সঙ্গেই কাটাতে চান।
সিনেমা হলে ফারিনের প্রথম পছন্দ শাকিব খান ঈদের পরদিন থেকেই সিনেমা দেখার পরিকল্পনা রয়েছে এই অভিনেত্রীর। বরাবরের মতো এবারও তিনি সুপারস্টার শাকিব খানের সিনেমা দিয়ে বড় পর্দায় সিনেমা দেখা শুরু করতে চান। প্রতি বছরই শাকিব খানের সিনেমা দেখা তার ঈদের একটি নিয়মিত অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এরপর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য ভালো সিনেমাগুলো উপভোগ করবেন বলে জানান ফারিন খান।