• জীবনযাপন
  • কেন আজই বিশ্ব পিয়ানো দিবস? জানুন ৮৮ সংখ্যাটির রহস্য

কেন আজই বিশ্ব পিয়ানো দিবস? জানুন ৮৮ সংখ্যাটির রহস্য

পিয়ানোর ৮৮টি চাবির সাথে মিল রেখে প্রতি বছর বছরের ৮৮তম দিনে পালিত হয় এই বিশেষ দিবস।

জীবনযাপন ১ মিনিট পড়া
কেন আজই বিশ্ব পিয়ানো দিবস? জানুন ৮৮ সংখ্যাটির রহস্য

জ্যাক আর রোজের অমর প্রেমকাহিনী টাইটানিকে সেলিন ডিয়নের সেই সুর কিংবা বলিউডের রাজেশ খান্নার ‘পেয়ার দিওয়ানা হোতা হ্যায়’—সবখানেই পিয়ানোর সুর আমাদের আবেগতাড়িত করে। আজ ২৯ মার্চ, সেই মায়াবী সুরের দিন ‘বিশ্ব পিয়ানো দিবস’। কিন্তু কেন আজকের দিনটিকেই বেছে নেওয়া হলো এবং পিয়ানোর সাথে ৮৮ সংখ্যাটির সম্পর্ক কী, তা নিয়ে রয়েছে চমকপ্রদ তথ্য।

পিয়ানো কেবল একটি বাদ্যযন্ত্র নয়, এটি মানুষের অনুভূতি প্রকাশের এক শক্তিশালী মাধ্যম। ক্ল্যাসিকাল থেকে জ্যাজ, কিংবা আধুনিক পপ—সবখানেই পিয়ানোর আধিপত্য অনস্বীকার্য। প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে সুরকার, পিয়ানোবাদক ও শ্রোতারা এই দিনটি উদযাপন করেন।

পিয়ানো দিবসের সূচনা ও ইতিহাস জার্মান পিয়ানোবাদক নিলস ফ্রাম ২০১৫ সালের ২৯ মার্চ প্রথম এই দিবসটি উদযাপনের সূচনা করেন। তারপর থেকে এটি একটি বৈশ্বিক উৎসবে পরিণত হয়েছে। পিয়ানোর ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, ১৭০০ সালে ইতালিতে বার্তেলোমিউ ক্রিস্টোফারি ‘হার্পসিকড’ নামক একটি যন্ত্র তৈরি করেন, যা থেকে ধীরে ধীরে বিবর্তিত হয়ে ১৮০০ শতকের শেষদিকে আধুনিক পিয়ানোর রূপ পায়।

কেন বছরের ৮৮তম দিনটিই পিয়ানো দিবস? পিয়ানো দিবসের তারিখ নির্ধারণের পেছনে রয়েছে একটি চমৎকার গাণিতিক কারণ। একটি স্ট্যান্ডার্ড পিয়ানোতে ঠিক ৮৮টি চাবি বা ‘কি’ (Key) থাকে। বছরের ৮৮তম দিনটি হলো ২৯ মার্চ (অধিবর্ষে ২৮ মার্চ)। পিয়ানোর এই চাবির সংখ্যার সাথে মিল রেখেই এই দিনটিকে বিশ্ব পিয়ানো দিবস হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে।

রূপালি পর্দায় পিয়ানোর রাজকীয় আভিজাত্য হলিউড থেকে ঢালিউড—সিনেমার রোমান্টিক বা বিরহের আবহে পিয়ানো সবসময়ই আভিজাত্যের প্রতীক। শাহরুখ খানের ‘ইয়েস বস’ থেকে শুরু করে আমাদের বাংলা সিনেমার অমর নায়ক রাজ্জাকের ‘নীল আকাশের নিচে’ কিংবা ‘পিচ ঢালা এই পথটারে’—প্রতিটি গানে পিয়ানোর সুর চরিত্রগুলোর সুখ-দুঃখের বিমূর্ত সঙ্গী হয়ে উঠেছে।

পিয়ানোর প্রকারভেদ ও মানসিক স্বাস্থ্য কি-বোর্ডের ওপর ভিত্তি করে পিয়ানো সাধারণত ৬৬, ৭২ এবং ৮৮ কি-এর হয়ে থাকে। এর মধ্যে ৮৮ কি-এর পিয়ানো মূলত ক্ল্যাসিকাল সংগীতের জন্য ব্যবহৃত হয়। আধুনিক গবেষণায় দেখা গেছে, পিয়ানোর মৃদু সুর মানসিক চাপ কমাতে এবং মনোযোগ বৃদ্ধিতে দারুণ কাজ করে। যান্ত্রিক জীবনে প্রশান্তি পেতে মোজার্ট বা বিটোফেনের কালজয়ী সুরগুলো শোনার জন্য আজকের দিনটি হতে পারে সেরা উপলক্ষ।

Tags: lifestyle world-piano-day music-history piano-keys nils-frahm