সিআইডির মিডিয়া বিভাগ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, মো. রাসেল, শামীমা নাসরিন এবং তাদের অজ্ঞাতনামা সহযোগীরা পরস্পর যোগসাজশে ঢাকার কাফরুল থানার পূর্ব কাজিপাড়া, মিরপুর এলাকায় ই-ভ্যালি.কম লিমিটেড নামে একটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতেন। প্রতিষ্ঠানটি ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে অসংখ্য গ্রাহকের কাছ থেকে পণ্য বিক্রির জন্য অনলাইনে অর্ডার গ্রহণ করে।
কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পণ্য সরবরাহ না করে গ্রাহকদের নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করা হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন মার্চেন্ট প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে পণ্য ক্রয় করে মূল্য পরিশোধ না করেও অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে।
তদন্তে আরও জানা গেছে, আত্মসাৎ করা অর্থ দিয়ে বিলাসবহুল গাড়ি কেনা, সম্পদ অর্জন এবং বিদেশ ভ্রমণসহ ব্যক্তিগত ভোগ-বিলাসে ব্যয় করা হয়েছে। গ্রাহকদের বারবার নতুন ডেলিভারির তারিখ দিয়ে আশ্বস্ত করা হলেও শেষ পর্যন্ত পণ্য সরবরাহ করা হয়নি, যা প্রতারণার স্পষ্ট প্রমাণ।
এ কার্যক্রমের মাধ্যমে হাজার হাজার গ্রাহক ও মার্চেন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে সিআইডির প্রাথমিক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।
এ ঘটনায় ডিএমপির কাফরুল থানায় ২৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে মামলা নং-১১ দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধনী ২০১৫) এর ৪(২) ও ৪(৪) ধারায় রুজু করা হয়।
সিআইডি জানিয়েছে, আত্মসাৎ করা অর্থ উদ্ধার এবং জড়িত অন্য সহযোগীদের শনাক্ত করতে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।