ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন কাজে কোনো ধরনের আপস করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, কাজের গুণমান রক্ষায় নির্বাহী প্রকৌশলীদের সরাসরি তদারকি বাড়াতে হবে এবং নিম্নমানের কাজ পাওয়া গেলে তা পুনরায় সম্পন্ন করে নিতে হবে।
কাজের মান ও তদারকি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, “সিটি কর্পোরেশনের চলমান কাজের মান নিশ্চিত করতে নির্বাহী প্রকৌশলীদের নিজ নিজ এলাকায় সশরীরে উপস্থিত থেকে কাজের গুণগত মান যাচাই করতে হবে। কোনো নিম্নমানের কাজ পরিলক্ষিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে তা চিহ্নিত করে পুনরায় যথাযথভাবে কাজ আদায় করে নিতে হবে।”
নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষের তাগিদ মতবিনিময় সভায় ঠিকাদারদের উদ্দেশ্যে প্রশাসক স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, সকল কাজ নির্ধারিত সময়সূচির মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে। যথাসময়ে কাজ শেষ করতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি ডিএনসিসিকে দেশের অন্যান্য সিটি কর্পোরেশনের তুলনায় একটি আধুনিক ও আদর্শ সংস্থা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
উন্নয়ন প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা সভায় জানানো হয় যে, বর্তমানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৩৪৮টি উন্নয়নমূলক কাজ চলমান রয়েছে। এর মধ্যে ২১৫.৬৫ কিলোমিটার রাস্তা, ২১৫.১৩ কিলোমিটার নর্দমা এবং ৬৭.৫৯ কিলোমিটার ফুটপাত উন্নয়নের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।
সবার অংশগ্রহণে বাসযোগ্য ঢাকা ডিএনসিসি প্রশাসক আরও বলেন, “আমরা কাউকে বাদ দিয়ে কাজ করতে চাই না। আমরা ঠিকাদার এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি সুন্দর, আধুনিক ও বাসযোগ্য শহর গড়ে তুলতে চাই।” সভায় ঠিকাদাররা তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরলে ডিএনসিসির পক্ষ থেকে তা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়।
সভায় ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রাকিবুল হাসানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।