দেশের বর্তমান জ্বালানি পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে বড় ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠনগুলো। বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি ও ঢাকা মহানগর দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির এক যৌথ সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জ্বালানি সাশ্রয়ে বিশেষ উদ্যোগ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতা এবং দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকারকে সহযোগিতার অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দোকানপাট বন্ধ নিশ্চিত করলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে বলে আশা করছে ব্যবসায়ী সমিতি।
নির্দেশনার আওতামুক্ত যারা রাত ৮টার পর দোকান বন্ধের নির্দেশনা থাকলেও কিছু জরুরি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে এর আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, মানুষের জীবন রক্ষাকারী ওষুধের দোকান বা ফার্মেসিগুলো বরাবরের মতোই খোলা থাকবে। এছাড়া হোটেল, রেস্তোরাঁ, কাঁচাবাজার এবং অন্যান্য জরুরি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান এই নির্দেশনার বাইরে থাকবে।
সারা দেশে কার্যকর এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র রাজধানী ঢাকার জন্য নয়, বরং সারা দেশের সব জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের শপিংমল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রযোজ্য হবে। ব্যবসায়ী নেতারা সাধারণ দোকান মালিকদের এই জাতীয় স্বার্থে নেওয়া সিদ্ধান্তে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন।