• জাতীয়
  • সিউলে বাংলাদেশ দূতাবাসের আয়োজনে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন

সিউলে বাংলাদেশ দূতাবাসের আয়োজনে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন

কোরিয়ার উপমন্ত্রী ও বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের উপস্থিতিতে সিউলে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়েছে।

জাতীয় ১ মিনিট পড়া
সিউলে বাংলাদেশ দূতাবাসের আয়োজনে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন

দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে যথাযথ মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। গত মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সিউলের একটি স্থানীয় অভিজাত হোটেলে আয়োজিত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে এক জাঁকজমকপূর্ণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাবলিক ডিপ্লোমেসি বিষয়ক উপমন্ত্রী লিম সাং উ।

শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তৌফিক ইসলাম শাতিল ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী ৩০ লাখ শহীদ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, বিগত পাঁচ দশকে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে অবকাঠামো, বস্ত্রশিল্প, ইলেকট্রনিকস এবং অটোমোবাইলসহ বিভিন্ন খাতে এক শক্তিশালী অংশীদারিত্ব গড়ে উঠেছে। তিনি বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই সম্পর্ককে আরও সুদূরপ্রসারী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সরকারের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ও সুশাসন রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকার আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে নিয়ে দেশকে উন্নয়নের পরবর্তী ধাপে নিয়ে যেতে নিরলস কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সামাজিক সম্প্রীতি, আইনের শাসন এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে তিনি জানান।

দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা ও মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কোরিয়ার উপমন্ত্রী লিম সাং উ তার বক্তব্যে বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি দুই দেশের মধ্যে ‘কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট’ (CEPA) দ্রুত স্বাক্ষরের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শিল্প সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে তিনি মনে করেন।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আতিথেয়তা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল বাংলাদেশি ও কোরিয়ান শিল্পীদের সমন্বয়ে পরিবেশিত মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। দেশাত্মবোধক গান, কবিতা আবৃত্তি ও নৃত্যের মাধ্যমে বাংলাদেশের ঐতিহ্যকে তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠান শেষে আমন্ত্রিত অতিথিদের ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি ও কোরিয়ান খাবারে আপ্যায়ন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি এবং সিউলে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন।

Tags: south korea independence day bangladesh embassy diplomatic news seoul bangladesh-korea relations