লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় পারিবারিক কলহকে কেন্দ্র করে চাচার লাঠির আঘাতে ভাতিজা আকতারুজ্জামান (২৮)খুন হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার ফকিরপাড়া ইউনিয়নের পূর্ব ফকিরপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তিনি ওই এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে। অভিযুক্ত চাচা একই এলাকার রজজান আলীর ছেলে শাহিনুর ইসলাম,জমুর আলীর ছেলে মনিরুজ্জান ও আঃমতিন ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন।তবে এব্যপারে পুলিশ মতিনকে আটক করেছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে নিহত আক্তারুজ্জামানের বাড়ির উঠানে মনিরুজ্জামানের ছেলে অকর্থ্য ভাষায় গালিগালাজ করলে আক্তারুজ্জামান তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।এতে ক্ষিপ্ত হযে মনিরুজ্জামান, শাহিনুর ও আঃমতিন অতর্কিত ভাবে আক্তারুজ্জামানের মাথা ও বুকে লাঠি দিয়ে আঘাত করলে মাটিতে লুটে পরেন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কতর্ব্যরত ডাক্তার রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠিয়ে দেন। আজ শুক্রবার ভোর ৫টার সময় আক্তারুজ্জামান মারা যায়।
এবিষয়ে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী রিপন মিযা বলেন,মনিরুজ্জামানের ছেলে আক্তারুজ্জামানের খোলানে এসে অকর্থ্য ভাষা গালাগালি করে বলতে শুনা যায় তোর ঘরবাড়ব ভেঙ্গে নিয়ে চলে যা না হলে তোর বাড়ি ঘর ভেঙ্গে দিবো। এসময আক্তারুজ্জামান ওই ছেলে চলে যেতে বলে। এরপরেই ওই ছেলে বাবা,চাচারা লাঠিসোঁটায় সেজে এসে আক্তারুজ্জামানকে মাথায় ও বুকে আঘাত করলে সাথে সাথে মাটিতে লুটে। আমরা হাসপাতালে নিতে চাইলে তারা তাকে হাসপাতালে নিতেও বাধা দেন। হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা.আনারুল হক বলেন,অতিরিক্ত রক্তক্ষরনের কারনে হাসপাতালে আনলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।
হাতীবান্ধা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) রমজান আলী বলেন, ঘটনাস্থলে আমিসহ আমার অফিসার গিয়ে প্রাথমিক ভাবে আঃমতিন নামের একজনকে জিজ্ঞেসার জন্য আটক করে থানা নিয়ে এসেছি।মৃত আক্তারুজ্জামানের লাশ রংপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে।