• দেশজুড়ে
  • চট্টগ্রামরে সআিরবতিে গাছ কটেে কোনো হাসপাতাল করতে দওেয়া হবে না : ময়ের ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রামরে সআিরবতিে গাছ কটেে কোনো হাসপাতাল করতে দওেয়া হবে না : ময়ের ডা. শাহাদাত

দেশজুড়ে ১ মিনিট পড়া

মোহাম্মদ শাহ আজম, চট্টগ্রাম,

চট্টগ্রাম সটিি ময়ের ডা. শাহাদাত হোসনে বলছেনে, ‘সআিরব’িতে গাছ কটেে কোনো হাসপাতাল করতে দয়ো হবে না’। সাংবাদকিদরে এ তথ্য নজিইে জানয়িছেনে ময়ের। গতকাল রোববার সকালে নগররে জামালখান লচিু বাগান এলাকায় চট্টগ্রাম সটিি র্কপোরশেনরে (চসকি) খাল–নালা পরষ্কিার র্কমসূচি উদ্বোধনকালে এসব কথা বলনে তনি।ি ডা. শাহাদাত বলনে, ‘আমি গত রববিার রলেমন্ত্রী শখে রবউিল আলমরে সঙ্গে কথা বলছে।ি ওনাকে আমি বলছেলিাম য,ে গাছ কটেে সআিরবতিে কখনো কোনো হসপটিাল কংিবা স্থাপনা আমরা করতে দবে না এবং এটা চট্টগ্রামবাসী কখনো মনেে নবেে না। উনওি (মন্ত্রী) এ ব্যাপারে একমত। উনি (মন্ত্রী) বলছেনে, পুরোনো যে হসপটিালটা আছ,ে সে হসপটিালটা উনি দখেবনে। ওই হসপটিালটার ইনফ্রাস্ট্রাকচার (অবকাঠামো), ওইখানে দরকার হলে ওটা ভঙেে কভিাবে একটা সুন্দর হসপটিাল করা যায়, এটাও আমাদরে সময়রে দাব।ি যহেতেু এই হসপটিালটাতে আসলে রোগী আসে না।’ তনিি বলনে, এখানে আমরা ডন্টোল কলজেরে কথা বলছেি ইতোমধ্য।ে একটা র্পূণাঙ্গ মডেক্যিাল হসপটিাল এবং কলজেরে কথা বলছে।ি কাজইে ওই জায়গায় আমরা হয়তোবা আশা করতে পার,ি পুরোনো বল্ডিংিয়,ে কন্তিু নতুন কোনো স্থাপনা সখোনে হবে না। জলাবদ্ধতা নরিসনে আশাবাদ : খাল–নালা পরষ্কিাররে মাধ্যমে গত বছর ৫০ থকেে ৬০ শতাংশ জলাবদ্ধতা কমে এসছেে দাবি করে ময়ের আশাবাদ ব্যক্ত করে বলনে, এবার সংশ্লষ্টি সব সবো সংস্থার সমন্বয়ে কাজ করতে পারলে ৭০ থকেে ৮০ শতাংশ র্পযন্ত জলাবদ্ধতা কমানো সম্ভব হব।ে র্কমসূচি প্রসঙ্গে ডা. শাহাদাত বলনে, জলাবদ্ধতা নরিসনে গত বছররে ন্যায় এবারও ১৬শ কলিোমটিার ড্রনে পরষ্কিার র্কমসূচি আজ আনুষ্ঠানকিভাবে শুরু করছে।ি এই ১৬শ কলিোমটিার ড্রনে পরষ্কিার করতে পারলে র্বষার সময় পানি ড্রনে হয়ে খালরে মাধ্যমে নদীতে চলে যাব।ে খাল সংস্কাররেও পরকিল্পনা আছে আমাদরে। সটোও শুরু করছ।ি নালা ও খাল একসাথে ক্লনি করব। তনিি বলনে, নালা পরষ্কিাররে পর মাটি পাশে ফলেে না রখেে দ্রুত অপসারণরে নর্দিশে দওেয়া হয়ছে।ে একই সঙ্গে র্বষাকালে র্দুঘটনা এড়াতে গুরুত্বর্পূণ নালা ও ম্যানহোলে নরিাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অস্থায়ী বষ্টেনী স্থাপন করা হব।ে এসময় জনসচতেনতার ওপর জোর দনে ময়ের। বলনে, নগরবাসীর অসচতেনভাবে ময়লা–আর্বজনা ফলোর কারণে ড্রনেজে ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হচ্ছ।ে যত্রতত্র প্লাস্টকি ও পলথিনি ফলোর ফলে

জলাবদ্ধতা বাড়ার পাশাপাশি ডঙ্গেু, চকিুনগুনয়িার মতো রোগরে ঝুঁকি বাড়ছ।ে তনিি নগরবাসীর উদ্দশ্যেে বলনে, শহরকে নজিরে ভাবুন। যত্রতত্র ময়লা ফলেবনে না। নর্দিষ্টি ডাস্টবনিে ময়লা ফলেুন। এসময় পলথিনিরে ব্যবহার বন্ধ না হওয়া প্রসঙ্গে সাংবাদকিদরে প্রশ্নরে জবাবে তনিি বলনে, পরবিশে অধদিপ্তর ও জলো প্রশাসনরে ম্যাজস্ট্রিটেদরে সমন্বতিভাবে অভযিান পরচিালনা করতে হব।ে অবধৈ পলথিনি উৎপাদনকারী কারখানাগুলোকে জরমিানা ও দৃশ্যমান শাস্তরি আওতায় আনার আহ্বান জানান তনি।ি ময়ের নগর সরকার ব্যবস্থা চালু না হলে পরকিল্পতি নগরায়ন সম্ভব নয় মন্তব্য করে এ বষিয়ে তনিি সরকাররে প্রতি প্রয়োজনীয় পদক্ষপে নওেয়ার আহ্বান জানান। নগর সরকার হলে সব সবো প্রদানকারী সংস্থা এক ছাতার নচিে সমন্বতিভাবে কাজ করতে পারব।ে এসময় উপস্থতি ছলিনে ময়েররে জলাবদ্ধতা বষিয়ক উপদষ্টো শাহরয়িার খালদে, জলাবদ্ধতা বষিয়ক গবষেক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, নর্বিাহী প্রকৌশলী ইমরান হোছাইন খোকা ও উপপ্রধান পরচ্ছিন্ন র্কমর্কতা প্রণব কুমার র্শমা।