• ক্যাম্পাস
  • শেরপুরে নির্বাচনী সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত: ডাকসু-র নেতৃত্বে ঢাবি ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ, বিএনপি-র বিরুদ্ধে সহিংসতা ও হত্যার অভিযোগ

শেরপুরে নির্বাচনী সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত: ডাকসু-র নেতৃত্বে ঢাবি ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ, বিএনপি-র বিরুদ্ধে সহিংসতা ও হত্যার অভিযোগ

ক্যাম্পাস ১ মিনিট পড়া
শেরপুরে নির্বাচনী সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত: ডাকসু-র নেতৃত্বে ঢাবি ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ, বিএনপি-র বিরুদ্ধে সহিংসতা ও হত্যার অভিযোগ

ইশতেহার অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসা নিয়ে বিএনপি-জামায়াত কর্মীদের সংঘর্ষ; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্র বিক্ষোভ, তারেক রহমানের প্রতি সন্ত্রাসমুক্ত দল গঠনের আহ্বান।

শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে নির্বাচনী ইশতেহার অনুষ্ঠানে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনায় জামায়াত নেতা মাওলানা রেজাউল করিম নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাত পৌনে ১০টার দিকে তিনি মারা যান।

ভিসির চত্বর থেকে টিএসসি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বুধবার রাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। রাত সাড়ে ১১টার দিকে ভিসি চত্বর থেকে মিছিলটি শুরু হয়। বিভিন্ন হল থেকে শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেন। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে টিএসসিতে গিয়ে শেষ হয়।

বিক্ষোভ পরবর্তী সমাবেশে ডাকসু নেতারা অভিযোগ করেন, আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে পরাজয়ের শঙ্কায় বিএনপি দেশব্যাপী সহিংসতায় জড়িয়ে পড়েছে। তারা নারীদের ওপর হামলা ও হত্যার রাজনীতি শুরু করেছে বলেও গুরুতর অভিযোগ তোলেন। একই সঙ্গে নেতারা নির্বাচন কমিশন ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

সমাবেশ থেকে রেজাউল করিম হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি বিএনপি-কে সন্ত্রাস, হত্যা ও চাঁদাবাজিমুক্ত করতে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কঠোর আহ্বান জানান বিক্ষোভকারীরা।

চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: জামায়াত আমীরের পোস্ট

এর আগে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান শেরপুরের ঘটনা নিয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বিস্তারিত জানান। তিনি লেখেন, শেরপুর-৩ আসনের সহকারী রিটার্নিং অফিসারের আয়োজিত ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি সমর্থকদের সঙ্গে জামায়াত সমর্থকদের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জামায়াত সমর্থকদের ওপর হামলা চালানো হয়।

পোস্টে আরও বলা হয়, এ ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর ৫০ জনেরও বেশি সমর্থক আহত হন। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে তাঁদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত ৯টা ২০ মিনিটে রেজাউল করিম মারা যান।

Tags: dhaka university election violence tareque rahman ducsu sherpur rezaul karim jamaat bnp clash political murder