জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের জন্য ছুটি ঘোষণা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের গত ২৫ জানুয়ারির প্রজ্ঞাপনের ভিত্তিতে এই ছুটি কার্যকর করা হচ্ছে। প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে, ভোটাধিকার প্রয়োগ এবং ভোট গ্রহণের সুবিধার্থে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সরকারি ও বেসরকারি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের জন্য এই ছুটি প্রযোজ্য হবে।
চার দিনের ছুটি যেভাবে কার্যকর হবে নির্বাহী আদেশে ঘোষিত এই দুই দিনের (১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি) ছুটির সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটি (১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি) যুক্ত হওয়ায় সব মিলিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো চার দিনের জন্য বন্ধ থাকবে। দেশের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা যাতে নির্বিঘ্নে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্যও একই নির্দেশনা সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি সারা দেশের কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও নির্বাচনকালীন এই ছুটি যথাযথভাবে কার্যকর করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এটি নিশ্চিত করবে যে দেশের সব প্রকার শিক্ষাব্যবস্থাই যেন একইসঙ্গে এই ছুটির সুবিধা গ্রহণ করতে পারে।
শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক-কর্মচারীদের বিশেষ ছুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের নির্বাচনকালীন ছুটির পাশাপাশি, সারা দেশের শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই প্রজ্ঞাপনের একটি অনুলিপি সদয় অবগতি এবং প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোতে পাঠানো হয়েছে।