ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক প্রস্তুতি শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি, ২০২৬) হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিশ্চিত করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের দিকে বড় আকারের নৌবাহিনী মোতায়েন করছে। তার দাবি, এই সামরিক বহর অতীতের যেকোনো অভিযানের সময় মোতায়েন করা বাহিনীর চেয়েও বৃহত্তর।
সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি ও মিত্রদের সতর্কতা বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তারা মধ্যপ্রাচ্যের এক মিত্র দেশকে সতর্ক করেছেন যে, ট্রাম্প খুব শিগগিরই ইরানের বিরুদ্ধে হামলার অনুমোদন দিতে পারেন। একজন সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তার মতে, এই সম্ভাব্য পরিকল্পনার লক্ষ্য কেবল ইরানের পারমাণবিক বা ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নয়, বরং দেশটির শাসনব্যবস্থাকে দুর্বল করে দেওয়াও হতে পারে।
ইরানের পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক প্রস্তুতির প্রেক্ষিতে ইরানও কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আক্রমিনিয়া বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল কোনো হামলা চালালে ইরানও তার জবাব দিতে প্রস্তুত।
বিক্ষোভের জেরে উত্তেজনা বৃদ্ধি গত ২৮ ডিসেম্বর ইরানের মুদ্রার মূল্যপতনকে কেন্দ্র করে দেশটিতে বড় ধরনের বিক্ষোভ শুরু হয়। এই ঘটনার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। মানবাধিকার সংগঠন এইচআরএএনএ-এর তথ্য অনুযায়ী, এসব ঘটনায় অন্তত ৬ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। তবে ইরান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রায় ৩ হাজার মৃত্যুর কথা স্বীকার করেছে।