ডা. শফিকুর রহমান তাঁর বিবৃতিতে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, তিনি তাঁর সকল প্রতিপক্ষকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বীদেরকে 'ভাবনার লড়াইয়ে প্রতিযোগিতা' করার আহ্বান জানান, যাতে দেখা যায় কে এই দেশের মানুষকে আরও ভালোভাবে সেবা দিতে পারে।
মানুষের কল্যাণে নীতিমালার বিতর্ক
জামায়াত আমির বলেন, “আসুন, আমরা নীতিমালা নিয়ে বিতর্ক করি, মানুষের কথা শুনি এবং বাংলাদেশের মানুষের জন্য সর্বোত্তম নীতিমালা প্রণয়ন করি।” তিনি মনে করেন, আলোচনা ও গঠনমূলক প্রতিযোগিতার মাধ্যমেই জনগণের জন্য কল্যাণকর পথ খুঁজে বের করা সম্ভব। এই বিতর্কের মূল লক্ষ্য হবে শুধুমাত্র দেশের মানুষের সেবা করার নতুন নতুন ধারণা নিয়ে আসা।
সহিংসতা পরিহারের সংস্কৃতি
ডা. শফিকুর রহমান দৃঢ়তার সঙ্গে উল্লেখ করেন, জামায়াত প্রতিদিনের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে আলোচনা ও শোনার এক ভিন্ন ধারার পথ দেখাচ্ছে। তিনি বলেন, “মানুষ অতীতেও সহিংসতা প্রত্যাখ্যান করেছে, এখনও করছে এবং ভবিষ্যতেও করবে।” তাঁর মতে, এই পথ ধরেই রাজনীতিতে গঠনমূলক সংস্কৃতি ফিরে আসবে এবং বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। তিনি সহিংসতা বর্জন করে নীতি ও ধারণার ওপর ভিত্তি করে প্রতিযোগিতার সংস্কৃতি গড়ার ওপর জোর দেন।