জেফ্রি এপস্টেইন ও চাঞ্চল্যকর ইমেইল যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ সম্প্রতি প্রায় ৩০ লাখ নথি প্রকাশ করেছে, যার অংশ হিসেবে এপস্টেইনের সাবেক কর্মীর লেখা একটি ইমেইল সামনে আসে। ২০১৯ সালের ২১ নভেম্বর এফবিআই-এর কাছে পাঠানো এই ইমেইলে প্রেরকের নাম গোপন রাখা হয়েছে। প্রেরক জোরো র্যাঞ্চে কাজ করার এবং সেখানে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী হওয়ার দাবি করেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, দুই তরুণীর মৃত্যুর পর তাদের দাফনের নির্দেশ দেন এপস্টেইন ও 'ম্যাডাম জি'।
প্রমাণের অভাব ও অর্থের দাবি গুরুতর এই অভিযোগগুলোর পক্ষে ইমেইলে কোনো প্রমাণ দেওয়া হয়নি। উল্টো, প্রেরক কিছু ভিডিওর লিংকের কথা উল্লেখ করেন এবং সেগুলোর বিনিময়ে অর্থের দাবি জানান। এপস্টেইনের মৃত্যুর কয়েক মাস পর এফবিআইয়ের কাছে এই ইমেইলটি পৌঁছায়। উল্লেখ্য, এপস্টেইন ২০১৯ সালে নিউইয়র্কের একটি কারাগারে বিচারাধীন অবস্থায় মারা যান।
জোরো র্যাঞ্চের রহস্য প্রকাশিত নথিতে এপস্টেইনের সম্পত্তি নিয়েও তথ্য রয়েছে। জোরো র্যাঞ্চটি ১৯৯৩ সালে কেনা হয়েছিল এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি এটি নিজের কাছে রেখেছিলেন। পরে সম্পত্তিটি বিক্রি করা হয়। এই র্যাঞ্চটি তার বিচ্ছিন্ন অবস্থান এবং গোপন যাতায়াত ব্যবস্থার জন্য আগে থেকেই সমালোচিত ছিল।
তদন্তের বর্তমান অবস্থা বিশ্লেষকেরা বলছেন, নথিগুলোতে থাকা অভিযোগগুলো অত্যন্ত গুরুতর হলেও সেগুলো যাচাই-বাছাই ছাড়া চূড়ান্ত সত্য হিসেবে ধরা যায় না। যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এপস্টেইন-সংক্রান্ত প্রকাশিত নথির ভিত্তিতে প্রয়োজন হলে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হবে।