শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ফরিদপুর-১ আসনের বোয়ালমারী উপজেলার স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ডা. শফিকুর রহমান। আসনটির দলীয় মনোনীত প্রার্থী ড. ইলিয়াস মোল্লার পক্ষে ভোট চেয়ে এই জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় জনসভাস্থলে অংশগ্রহণ করেন দলীয় প্রধান।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘একটা ধ্বংসস্তূপের দাঁড়িয়ে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আমাদের মুক্তির হাতছানি দিচ্ছে। আমরা চাই অতীতে যা হয়েছে, হয়েছে। নতুন একটা বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে চাই। যে বাংলাদেশে আমরা বসবাস করছি- এটার মানচিত্র বদলে যাবে? না- মানচিত্র বদলাবো না, তার খাসলত বদলাবো।’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আগামী ১২ তারিখে ভিন্ন বার্তা দিচ্ছে, যুবকরা জেগে উঠেছে। এখন থেকে পাহারা বসাতে হবে। আসমান থেকে চিল নামতে পারে, কালো চিল- ছোঁ মেরে ভোট নিয়ে নেওয়ার জন্য। জমিন থেকেও শুরু হয়ে গেছে অপতৎপরতা। আল্লাহ আমাদের এই দুই আছাওয়া থেকে রক্ষা করুক। যুবকরা জেগে থাকতে হবে। আমার ভোট আমি দেবো, তেমারটাও আমি দেবো- এই স্লোগান শেষ। এই ভোটের ওপর কেউ যদি হাত দেয়, কালো চিল হয়ে আসে- তাহলে ডানা খুলে ফেলতে হবে, রুখে দিতে হবে। কোনও তাইরে-নাইরে বরদাসত করা হবে না।’
এ সময় তিনি গণভোটে হ্যাঁ-কে বিজয়ী করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘১২ তারিখের প্রথম ভোট হতে হবে গণভোট, হ্যাঁ-তে ভোট দিতে হবে। আমি জামায়াতে ইসলামীর বিজয় চাই না, ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই।’
রাজনীতির পচা ধারা পাল্টে দেয়ার অঙ্গিকার ব্যক্ত করে জামায়াতে ইসলামীর প্রধান বলেন, ‘নির্বাচিত হওয়ার পর শ্বশুরবাড়ির সম্পদ আর বাড়বে না। আমাদের দেশে এটা একটি অদ্ভুত কালচার। নেতা হওয়ার আগে বা নির্বাচিত হওয়ার আগে তেমন কোনও সম্পদ থাকে না; যেই নির্বাচিত হলো লাফিয়ে লাফিয়ে শ্বশুরবাড়ির সম্পদ বাড়ে। আমরা ওই রাজনীতির পচা ধারা পাল্টে দিতে চাই।’
এ জনসভায় জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির আবু হারিচ মোল্লার সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা বদরুদ্দীন, ফরিদপুর-১ আসনের প্রার্থী ডা. ইলিয়াস মোল্লাসহ অনেকে। পরে তিনি ফরিদপুর শহরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে ফরিদপুর-৩ আসনের প্রার্থী আবদুত তাওয়াবের পক্ষে জনসভায় অংশগ্রহণ করেন।