সেই আন্দোলনের অন্যতম নেতা ইনকিলাব মঞ্চের শরীফ ওসমান হাদিকে নির্মমভাবে খুন করা হয়েছে। আমরা দেশের সব মানুষ অবশ্যই সেই খুনের উপযুক্ত বিচার চাই। তাদের রক্তের বিনিময়েই আজ দেশের মানুষ ২০ বছর পর ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে।
দুলু আরও বলেন, আর মাত্র কয়েকদিন পর সেই কাঙ্খিত নির্বাচন। এখন ভোটের আগ মুহুর্তে সেই বিচারের দাবিতে যমুনা ও শাহবাগে এভাবে অবস্থান নেওয়ায় ফ্যাসীবাদী সুযোগ সন্ধানীরা সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করেছে। সবাইকে মনে রাখতে হবে দেশকে অস্থিতিশীল করে একটি পক্ষ নির্বাচন বানচাল করে দিতে চায়। সকলকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। কোনোভাবেই কাঙ্খিত এই নির্বাচন যেন সংকটে না পড়ে, বাধাগ্রস্ত না হয়। একটি মহল কোনোভাবেই এদেশে নির্বাচন হোক —তা চায় না। তারা চায় না পরিস্থিতি স্বাভাবিক হোক, আমাদের জন্মভূমি এগিয়ে যাক। তাদের বিষয়ে আমাদের সবাইকে সাবধান হতে হবে।
আজ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়ার কালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নিবাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুলু এসব কথা বলেন।
বনপাড়া পৌর বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, নাটোর-৪ (বড়াইগ্রাম-গুরুদাসপুর) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আব্দুল আজিজ, জন গমেজ, বড়াইগ্রাম পৌরসভার সাবেক মেয়র ইসাহাক আলী ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শরীফুল হক মুক্তা, অধ্যক্ষ আশরাফ আলী ও মহুয়া নূর বাবু প্রমুখ।
এর আগে বিকেলে রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু নাটোর জেলা বিএনপির কার্যালয়ে জেলা জিয়া পরিষদ আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।
জেলা জিয়া পরিষদ সভাপতি উপাধ্যক্ষ আহমুদুল হক চৌধুরী স্বপনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম চঞ্চলের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, জেলা জিয়া পরিষদের মহাসচিব অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন ও নাটোর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহিম নেওয়াজ প্রমুখ। সভায় দুলু আগামী চারদিন জিয়া পরিষদের প্রতিটি নেতাকর্মীকে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে প্রতিটি পাড়া মহল্লায় ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তারেক রহমানের সালাম পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান।