• ক্যাম্পাস
  • ‘সুযোগ পেলে শিক্ষাব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে যাব’: ড. এহছানুল হক মিলনের বড় ঘোষণা

‘সুযোগ পেলে শিক্ষাব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে যাব’: ড. এহছানুল হক মিলনের বড় ঘোষণা

ক্যাম্পাস ১ মিনিট পড়া
‘সুযোগ পেলে শিক্ষাব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে যাব’: ড. এহছানুল হক মিলনের বড় ঘোষণা

চাঁদপুর-১ আসন থেকে বিপুল জয়ের পর জিয়ার মাজার জিয়ারত করে আগামীর ভিশন জানালেন সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী; তারেক রহমানের আস্থার প্রতিদান দেওয়ার অঙ্গীকার

বিপুল বিজয়ের পর প্রথম প্রতিক্রিয়া: লক্ষ্য এবার ‘গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড’

সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসন থেকে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করেছেন সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণার পর শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে তিনি রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সম্প্রতি প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারত করেন। জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি দেশের আগামীর শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে তার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার কথা ব্যক্ত করেন। ড. মিলনের সাফ কথা, ফের সুযোগ পেলে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ‘International Standard’ বা আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করাই হবে তাঁর প্রধান লক্ষ্য।

তারেক রহমানের নেতৃত্ব ও আধুনিকায়নের অঙ্গীকার

নির্বাচনী লড়াইয়ে জয়ী হওয়ার পর দলের হাই-কমান্ডের প্রতি নিজের আনুগত্য ও আস্থার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন ড. মিলন। তিনি বলেন, “আমাদের রাজনৈতিক অভিভাবক ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান যদি আমাকে আবারও রাষ্ট্রের কোনো দায়িত্ব প্রদান করেন, তবে আমি আমার বিগত দিনের সকল অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আমূল বদলে দেব। আমাদের লক্ষ্য হবে শিক্ষাকে এমনভাবে ‘Modernize’ করা, যাতে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা বিশ্বের যেকোনো উন্নত দেশের সঙ্গে সমানতালে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারে।”

তিনি বর্তমান বিশ্বের গতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন কারিকুলাম ও শিক্ষা কাঠামোর সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

অতীতের অভিজ্ঞতা ও দ্বিগুণ গতিতে কাজের পরিকল্পনা

নব্বইয়ের দশক ও পরবর্তী সময়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনকালে নকলমুক্ত পরীক্ষা এবং শিক্ষা প্রশাসনে শৃঙ্খলা ফেরাতে ড. মিলনের সাহসী ভূমিকা দেশজুড়ে আলোচিত হয়েছিল। সেই স্মৃতির কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “আগে যখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলাম, তখন যে গতিতে কাজ করেছিলাম, এবার সুযোগ পেলে তার চেয়ে বহুগুণ বেশি গতিতে কাজ করার পরিকল্পনা আমার আছে। ডিজিটাল ও আধুনিক বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের শিক্ষা ক্ষেত্রকে ঢেলে সাজানো এখন সময়ের দাবি।”

তিনি মনে করেন, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই এবং সেই লক্ষ্য অর্জনে তিনি ‘Double the speed’ তথা দ্বিগুণ গতিতে কাজ করতে প্রস্তুত।

মাজার জিয়ারত ও রাজনৈতিক সংহতি

শনিবার সকালে ড. মিলন যখন মাজার প্রাঙ্গণে পৌঁছান, তখন সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তিনি জিয়ারত শেষে মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার বেবীসহ চাঁদপুর জেলা ও স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী। নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এই বিজয় জনগণের বিজয় এবং এই অর্জনের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র ও শিক্ষার অধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ আসনে ড. এহছানুল হক মিলন নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে বিশাল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়ে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

Tags: education system tarique rahman political news international standard shere bangla nagar bangladesh election 2026 bnp victory dr ehsanul hoque milan education modernization chandpur one global benchmarks