নির্বাচনী এলাকার মানুষদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও পালন করব।
সম্প্রতি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সঙ্গে সাক্ষাতের পর গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এ কথা বলেন।
রেজা কিবরিয়া আরও বলেন, আগের বাজেটে অনেক সমস্যা রয়েছে।
আগের মেগা প্রকল্পগুলো পরিবর্তন করে এমন কাজ করা হবে যাতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা সহজ হয়। এটাই তারেক রহমানের লক্ষ্য। অদক্ষ সরকারের কারণে দেশের ১৮ বছর নষ্ট হয়েছে। আগে করা ভুলগুলো সংশোধন করতে হবে। তিনি ব্যাংকিং খাতের অবস্থা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এমনভাবে খারাপ হয়েছে যে আসল বিনিয়োগকারীরা ঋণ পান না, আর যাদের ঋণ শোধের ইচ্ছা নেই তাদের রাজনৈতিক প্রভাবে ঋণ দেওয়া হয়। এটা খুবই বোকামি। ব্যাংক ঠিকমতো কাজ না করলে দেশের পুরো অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে তিনি বলেন, ৩০০ জন এমপি আশাবাদী, আমিও আশাবাদী।
হবে কী না জানি না, তবে হলে খুব খুশি হবো। না হলেও এলাকাবাসীর জন্য কাজ চালাব। রেজা কিবরিয়া বলেন, প্রত্যেক মন্ত্রণালয়ের বাজেট সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করব। জনগণের করের টাকা সহজে নষ্ট হতে দেব না। অর্থমন্ত্রণালয় একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব; এখানে কাজের সঙ্গে জনগণের সঙ্গে যোগাযোগও সমন্বয় করতে হবে।
প্রতি সপ্তাহে কয়েকশ’ ভোটারের সঙ্গে সময় দেব। তার নির্বাচনী এলাকার যাতায়াত ব্যবস্থার অবস্থা নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বলেন, এক ঘণ্টার পথ এখন ৫ ঘণ্টা লাগে। এটি দ্রুত ঠিক করব। আন্ডারপাস নির্মাণই প্রথম কাজ হবে।
এর আগে তারেক রহমানের কাছ থেকে বের হয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমের মুখোমুখি হলে তিনি বলেন, তিনি আমাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। ঐতিহাসিক জয়ের পথে আমি তাকে অভিনন্দন জানালাম। মন্ত্রিসভায় অংশগ্রহণ নিয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনো কোনো আলোচনা হয়নি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে রেজা কিবরিয়া ১ লাখ ১১ হাজার ৯৯৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন রেজা কিবরিয়া। এর আগে ও পরের বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে তাকে বিএনপির কেবিনেটে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্বে দেওয়া হতে পারে- দেশজুড়ে এমন আলোচনা শুরু হয়েছে।