আজ সোমবার পাল্লেকেলেতে তাদের ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে সুপার এইট নিশ্চিত করেছে শ্রীলঙ্কা।
এই ম্যাচ হেরে যাওয়ায় এখন কঠিন সমীকরণের সামনে ২০২১ সালের চ্যাম্পিয়নরা। টিকে থাকতে তাদের অন্য ম্যাচের ফলের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে। এক্ষেত্রে জিম্বাবুয়েকে আয়ারল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুটি ম্যাচেই হারতে হবে। পাশাপাশি শুক্রবার ওমানকে হারানোর সঙ্গে নেট রানরেটেও এগিয়ে থাকতে হবে অস্ট্রেলিয়াকে। তাহলেই কিছুটা আশা জাগবে তাদের। টস হারলেও ইনজুরি কাটিয়ে টুর্নামেন্টে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে অস্ট্রেলিয়াকে দারুণ শুরু এনে দিয়েছিলেন অধিনায়ক মিচেল মার্শ। ২৭ বলে ৮টি চার ও ২ ছক্কায় ৫৪ রান করেন তিনি। ট্রাভিস হেডও ৭চার ও ৩ ছক্কায় ২৯ বলে করেন ঝড়ো ৫৬ রান। দু’জনের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ১০৪ রানের উদ্বোধনী জুটি দারুণ অবস্থানে নিয়ে যায় তাদের। দলের ১০৪ রানে হেড ফিরতেই দ্রুত পাল্টায় দৃশ্যপট। ১১৬ রানের মধ্যে তৃতীয় উইকেট হিসেবে ফেরেন মিচেল মার্শও। মাঝে আরও কিছু উইকেট পতনের পর শেষ পাঁচ উইকেট মাত্র ৭ রানে হারিয়ে ১৮১ রানে থামে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস। লঙ্কানদের হয়ে ৩৭ রানে তিনটি উইকেট নেন দুশান হেমন্থ। দুটি নিয়েছেন দুশমন্থ চামিরা।
জবাবে শ্রীলঙ্কার হয়ে তাণ্ডব চালান ওপেনার পাথুম নিসাঙ্কা। ৫২ বলে অপরাজিত ১০০ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে লঙ্কানদের ১৮ ওভারেই জয় নিশ্চিত করেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ১০টি চার ও ৫টি ছক্কার মার। দলীয় ৮ রানে কুশল পেরেরা ফিরলে কুশল মেন্ডিসের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ৬৬ বলে ৯৭ রানের জুটি গড়েন নিসাঙ্কা। এই জুটি জয়ের মঞ্চ গড়ে। ৩৮ বলে ৫১ রান করে কুশল মেন্ডিস ফিরলে ভাঙে গুরুত্বপূর্ণ এই জুটি। তাতেও সমস্যা হয়নি লঙ্কানদের। তার পর পবন রত্নায়েকেকে সঙ্গে নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন নিসাঙ্কা। মাত্র ২০ বলে হাফসেঞ্চুরি থেকে শতকে পৌঁছান তিনি। টি-টোয়েন্টিতে এটি তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি।
এর আগে আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করলেও পরে জিম্বাবুয়ের কাছে হেরে যায় অস্ট্রেলিয়া। টানা দ্বিতীয় পরাজয়ে এখন তারা ছিটকে যাওয়ার শঙ্কায়! অপর দিকে এটি ছিল লঙ্কানদের টানা তৃতীয় জয়।