বাংলাদেশের ডিজিটাল শিক্ষা খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে রবিন রাফানের এই এআই মাস্টারক্লাস। গত এক বছরে গ্রাফিক ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং বা কোডিংয়ের মতো প্রচলিত কোর্সগুলোকে ছাড়িয়ে এটি এখন জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছে।
সাফল্যের নেপথ্যে কার্যকর কারিকুলাম ওবাইদুর রহমানের তৈরি এই মাস্টারক্লাসটি মূলত একটি কাঠামোবদ্ধ ও কারিকুলাম-ভিত্তিক ফরম্যাটে পরিচালিত হয়। এতে এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে কনটেন্ট পরিকল্পনা, প্ল্যাটফর্ম-নির্দিষ্ট অপ্টিমাইজেশন কৌশল, অডিয়েন্স এনগেজমেন্ট মডেল এবং ডিজিটাল ওয়ার্কফ্লো ইন্টিগ্রেশন শেখানো হয়। এই কোর্সটি বিশেষভাবে কনটেন্ট ক্রিয়েটর, সাংবাদিক, মিডিয়া পেশাজীবী এবং ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক সাড়া সাবস্ক্রিপশনস মার্ট বিডির তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ১৯টি দেশ থেকে শিক্ষার্থীরা এই প্রোগ্রামে যুক্ত হয়েছেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, শুধুমাত্র সিজন ৯-এ প্রায় ৫ হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন, যা আগের আটটি সিজনের মোট এনরোলমেন্টকেও ছাড়িয়ে গেছে। লাইভ সেশন শেষ হওয়ার পরও রেকর্ডকৃত ক্লাসে বিশ্বজুড়ে নতুন নতুন শিক্ষার্থী নিয়মিত ভর্তি হচ্ছেন, যা এই কোর্সের ধারাবাহিক চাহিদার প্রতিফলন।
প্রতিষ্ঠাতা ও বিশেষজ্ঞদের অভিমত সাবস্ক্রিপশনস মার্ট বিডির প্রতিষ্ঠাতা উর্মি আলম আঞ্জু জানান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যখন ডিজিটাল মিডিয়া ও কনটেন্ট তৈরির প্রক্রিয়াকে আমূল বদলে দিচ্ছে, তখন এই মাস্টারক্লাস পেশাজীবীদের জন্য এআই-এর কার্যকর ব্যবহারের পথ তৈরি করে দিয়েছে। তিনি একে দীর্ঘমেয়াদি বাজার চাহিদার প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করেন।
আইটি বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রোগ্রামের সাফল্য বৈশ্বিক এআই প্রবণতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আন্তঃদেশীয় অংশগ্রহণ এবং ধারাবাহিক এনরোলমেন্ট বৃদ্ধি প্রমাণ করে যে, সৃজনশীল অর্থনীতিতে পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির সূচক হিসেবে এ ধরনের উদ্যোগগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।