রোববার সিভিল হাসপাতাল করাচির (সিএইচকে) ট্রমা সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক এ তথ্য জানান।
সিএইচকের ডা. মোহাম্মদ সাবির মেমন ডনকে বলেন, কনস্যুলেটের কাছে বিক্ষোভের পর সংঘর্ষে নয়জন নিহত এবং ৩২ জন আহত হয়েছেন। আগ্নেয়াস্ত্রের গুলিতে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
শনিবার তেহরানে মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যার পর এ বিক্ষোভ শুরু হয়।
ইধির এক বিবৃতি অনুসারে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে এবং লাঠিচার্জ করে।
এর আগে ডনের সঙ্গে কথা বলার সময়, পুলিশ সার্জন ডা. সুমাইয়া সৈয়দ বলেন, ছয়টি লাশ সিএইচকেতে আনা হয়েছিল।
ডা. সৈয়দ বলেন জিন্নাহ স্নাতকোত্তর চিকিৎসা কেন্দ্রে (জেপিএমসি) চিকিৎসার জন্য আনা ব্যক্তিদের মধ্যে দুইজন আহত পুলিশ সদস্যও রয়েছেন।
সিন্ধুর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়াউল হাসান লাঞ্জার করাচির অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (এআইজি) আজাদ খানের কাছ থেকে পরিস্থিতি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানতে চেয়েছেন, তার কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কাউকে আইন নিজের হাতে তুলে নিতে দেওয়া হবে না, সংবেদনশীল স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা আরও কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেয়ামারির সিনিয়র পুলিশ সুপার (এসএসপি) আমজাদ আহমেদ শেখ এরই মধ্যে সংবেদনশীল স্থানগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করেছেন।