মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আওতাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ফেব্রুয়ারি মাসের এমপিওর অর্থ ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের (EFT) মাধ্যমে সরাসরি ব্যাংক হিসাবে পাঠানোর কাজ শুরু হয়েছে। অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী এরই মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বেতনের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
বিল সাবমিটে ধীরগতি ও মাউশির নির্দেশনা মাউশি অধিদপ্তরের এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (EMIS) সেলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ১ হাজার ৩৩৫ জন শিক্ষক এখনো ফেব্রুয়ারি মাসের বেতনের বিল সাবমিট করেননি। শিক্ষকদের তথ্যে ভুল থাকা এবং বিল সাবমিটে বিলম্বের কারণে সামগ্রিক প্রক্রিয়া কিছুটা ধীরগতিতে এগোচ্ছে। কর্মকর্তারা শিক্ষকদের দ্রুত আবেদন করার আহ্বান জানিয়েছেন যাতে তারা সময়মতো বেতন পেতে পারেন।
ইএফটি প্রক্রিয়ার বর্তমান অবস্থা ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন ইএফটির মাধ্যমে প্রদান করা শুরু হয়েছে। জুলাই মাস পর্যন্ত সরাসরি ব্যাংক হিসাবে টাকা পাঠানো হয়েছে। আগস্ট মাস থেকে অনলাইনে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের মাধ্যমে বিল সাবমিট করার ব্যবস্থা যুক্ত করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠান প্রধানের দেওয়া এনআইডি ও ব্যাংক তথ্যের ভিত্তিতে আইবাস ডাবল প্লাস (++ibass) সিস্টেমের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করা হয়।
বকেয়া বেতন ও উৎসব ভাতা উত্তোলন মাউশি জানিয়েছে, যেসব শিক্ষকের তথ্য আগে ভুল বা ইনভ্যালিড ছিল, কিন্তু এখন সঠিক হয়েছে, তাদের বকেয়া বেতন দেওয়ার জন্য 'বিল সাবমিট' অপশন চালু করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানরা তাদের আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ইএমআইএস সিস্টেমের এমপিও-ইএফটি মডিউলে লগইন করে বকেয়া মাসের বিল বা উৎসব ভাতা আলাদাভাবে সাবমিট করতে পারবেন।
বিশেষ সতর্কতা ইএফটি সিস্টেম চালু হওয়ার পর যদি কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী ইতোমধ্যেই অনলাইন আবেদনের মাধ্যমে বকেয়া টাকা তুলে থাকেন, তবে বর্তমান বিল সাবমিটের সময় তাদের ক্ষেত্রে 'পেমেন্ট নেই' (No Payment) অপশনটি নির্বাচন করতে হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধানদের দাখিল করা তথ্যের ভিত্তিতেই চূড়ান্তভাবে অর্থ ছাড় করা হবে।