এদিন বিকালে আপেলকে আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। তবে, আদালতের সময় না থাকায় এ মামলার শুনানি হয়নি। পরবর্তীতে শাহবাগ থানায় হওয়া সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার হওয়া আপেলকে কারাগারে পাঠানো হয়।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই জিন্নাত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ৬ মার্চ সকালে শাহবাগ থানাধীন গোলাপশাহ মাজার সংলগ্ন মসজিদের প্রধান ফটকের সামনে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ২০ থেকে ২৫ জন নেতাকর্মী একত্রিত হয়ে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র ও উসকানিমূলক স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে সেখানে পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালালে তারা পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় ধাওয়া দিয়ে আপেলকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। তবে, বাকিরা কৌশলে পালিয়ে যায়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, পলাতক আসামিদের নির্দেশে ও আর্থিক সহায়তায় তারা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি ও সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের উদ্দেশে সেখানে জড়ো হয়েছিলো। এ ঘটনায় শনিবার আসামিদের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানার এসআই তৌফিক হাসান বাদী হয়ে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা করেন।