যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট এখন পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি।
মোজতবা খামেনিকে দেশটির নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মনোনীত করেছে ইরান।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় তার বাবা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার এক সপ্তাহ পর এ ঘোষণা এলো। এ হত্যাকাণ্ড পুরো অঞ্চলকে একটি বড় যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিয়েছে। ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনিকে রোববার (৮ মার্চ) ধর্মীয় আলেমরা তার বাবার উত্তরসূরি হিসেবে মনোনীত করেছেন। এখন থেকে তিনি ইরানকে নেতৃত্ব দেবেন।
ইরানের প্রভাবশালী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি), সশস্ত্র বাহিনী ও গুরুত্বপূর্ণ নেতারা নতুন নেতার প্রতি তাদের সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আক্রমণের পর ইরানের নিরাপত্তা কৌশল পরিচালনার দায়িত্বে থাকা সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব আলী লারিজানি নতুন সর্বোচ্চ নেতার অধীনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এ নির্বাচনকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে অনুসরণ করা একটি ‘ধর্মীয় ও জাতীয় কর্তব্য’।
মোজতবা খামেনিকে নির্বাচন করার আগেই ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী যেকোনো উত্তরসূরিকে সতর্ক করে বলেছিল, আপনাকেও লক্ষ্যবস্তু করতে আমরা দ্বিধা করব না।
রোববার ট্রাম্প আবারো ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের ওপর প্রভাব বিস্তারের কথা বলেছিলেন। তিনি বলেন, ওয়াশিংটনের অনুমোদন ছাড়া যাকে এই পদের জন্য বেছে নেওয়া হোক না কেন, সে ‘বেশিদিন টিকবে না’।
এর আগে এক সাক্ষাৎকারে তিনি মোজতবা খামেনিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলেও মন্তব্য করেছিলেন।